ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাইতলা (দ.) ইউনিয়নে মহেশ খাল (সরকারি ভূমি) দখল করে স্থায়ী দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় হামদু মিয়ার বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়- উপজেলার কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের প্রধান সড়কের পাশ দিয়ে প্রবাহিত ঐতিহ্যবাহী মহেশ খালের অংশে রড ও সিমেন্টের পিলার স্থাপন করে স্থায়ী দোকানঘর নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ- খালের জায়গা দখল করেই এ নির্মাণ কাজ পরিচালিত হচ্ছে।
হামদু মিয়াকে দোকানঘর নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন-“এখনও কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। তবে অনুমতির জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নিকট আবেদন করা হয়েছে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন- প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কারণে সরকারি খাল দখলের ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। মহেশখাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণের ফলে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) বজলুল হক বলেন-“দোকানঘর নির্মাণ না করার জন্য ইতোমধ্যে আমরা দুইবার নোটিশ দিয়েছি। বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহোদয়কে অবহিত করা হয়েছে।”
নবীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খালিদ বিন মনসুর বলেন- “সরকারি খাল দখলের কোনো সুযোগ নাই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং খাল দখল মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
কালের সমাজ/কে.পি

