ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের "সহকারী শিক্ষক" নিয়োগ পরীক্ষার সব ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত ভাবে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়ে ছিলেন দুই তরুণ- জুবায়েরুল ইসলাম ও রুবেল মিয়া। তবে পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষ হওয়ার পরও তাঁদের নিয়োগ হয়নি। চাকরি না হওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে তাঁরা এখন এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে ঘুরছেন।
তাঁদের দাবি- তাঁদের বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাও নেই। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও কোনো সমস্যা নেই। জুবায়েরুল ইসলাম জানান-"দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার। চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পর চাকরি নিশ্চিত ভেবে অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিয়োগ না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছি"।
অন্যদিকে রুবেল মিয়াও জানান-"চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পর আত্মীয়-স্বজন ও এলাকার মানুষকে চাকরি হওয়ার খবর জানিয়ে ছিলাম। এখন নিয়োগ না হওয়ায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছি।" দুই প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শামসুর রহমান বলেন-"এবারের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভেরিফিকেশনে দুজন বাদ পড়েছেন। বিভিন্ন কাগজপত্রের জটিলতা বা মামলা-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে কেউ বাদ পড়তে পারেন।
নিয়োগের বিষয়ে মহাপরিচালকের নিকট থেকে নির্দেশনা আসে।" তবে জুবায়েরুল ইসলাম ও রুবেল মিয়ার দাবি- তাঁদের ক্ষেত্রে ঠিক কি কারণে নিয়োগ দেওয়া হয়নি, তা স্পষ্ট ভাবে জানানো হয়নি। তাই নিজেদের বিষয়ে সিদ্ধান্তের কারণ প্রকাশ এবং কোনো ঘাটতি না থাকলে পুনরায় বিষয়টি যাচাই করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
কালের সমাজ/কে.পি

