রাজনীতি করে অর্থ উপার্জন বা ব্যক্তিগত সম্পদ গড়ে তোলার কোনো সুযোগ নেই। যারা রাজনীতি করতে চান, তাঁদের মূল লক্ষ্য হতে হবে জনগণের কল্যাণ ও সেবা করা। কেউ রাজনীতিকে বড়লোক হওয়ার মাধ্যম বানাতে চাইলে তাঁর অন্য পেশায় যাওয়া উচিত।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী সদর উপজেলার অশ্বদিিয়া গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের হলরুমে অশ্বদিিয়া ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের দিকনির্দেশনা দিতে এই সভার আয়োজন করা হয়।
বক্তব্যে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এমপি ফখরুল ইসলাম বলেন, "যাঁরা আগামীতে সমাজনেতা ও জনগণের চেয়ারম্যান হতে চান, তাঁদের মনে রাখতে হবে যে আওয়ামী লীগের আমলের মতো সিল মেরে কিংবা শক্তির জোরে ভোটকেন্দ্র দখল করে চেয়ারম্যান হওয়ার দিন এখন আর নেই। এবার জনগণ ভোট না দিলে কারও চেয়ারম্যান হওয়ার সুযোগ নেই।"
সংগ্রাম ও নির্বাচনী অঙ্গীকার তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, "জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা ও অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে আমাদের দীর্ঘ ১৭ বছর সংগ্রাম করতে হয়েছে। দীর্ঘ আন্দোলনের পর গত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ২১৪টি আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট বার্তা—বিএনপি সরকারের আমলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ সব নির্বাচন সম্পূর্ণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে।"
অশ্বদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাসান মাহবুব তানসেনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সলিম উল্যাহ বাহার হিরণ এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভিপি জসিম উদ্দিন।
সভায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী চার প্রার্থী সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সামনে হাত তুলে অঙ্গীকার করেন যে, আগামী নির্বাচনে দল যাকেই সমর্থন প্রদান করবে, দল সমর্থিত প্রার্থীর বিজয়ে তাঁরা সবাই একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করবেন।
কালের সমাজ/কে.পি

