"কুড়িগ্রামের সার্বিক উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে, পেশাদারিত্বে গণমানুষের হৃদয়ে চির অম্লান" — এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গৌরব, ঐতিহ্য ও সংগ্রামের ৫৯ বছর পার করলো কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাব।
২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দিবসটি উপলক্ষে সকালে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি সফি খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার, দৈনিক বাংলার মানুষ পত্রিকার সম্পাদক লিয়াকত আলী, দীপ্ত টেলিভিশনের ইউনুছ আলী, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম বেবু, এনটিভির হাসিবুর রহমান হাসিব, ৭১ টিভির রাজু মোস্তাফিজ, চ্যানেল আইয়ের শ্যামল ভৌমিক, ইত্তেফাকের ফজলে ইলাহী স্বপন, নয়া দিগন্তের রেজাউল করিম রেজা, মাই টিভির আশরাফুল হক রুবেল, মানবজমিনের মিজানুর রহমান মিন্টু, সময় টিভির বাদশা সৈকত, ডিবিসির ওয়াহেদুজ্জামান তুহিন, সময়ের আলো পত্রিকার তৌহিদুল ইসলাম বকশী ঠান্ডা, জাগো বাহে পত্রিকার সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, সকালের সময়ের ফিরোজ আলম মনু, স্বদেশ প্রতিদিনের শাহীন আহমেদ, ডেইলি সানের আব্দুল ওয়াহেদ, নিউ এজের গোলাম রব্বানী, ভোরের ডাকের এম রহমান রঞ্জু প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে সফি খান বলেন, "দীর্ঘ ৫৯ বছর ধরে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাব এ অঞ্চলের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা সাহসিকতার সাথে তুলে ধরে আসছে। জেলার প্রতিটি সংকটে এবং অর্জনে গণমাধ্যমকর্মীরা সবসময় সামনের সারিতে থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন। আগামী দিনেও কুড়িগ্রামের স্থায়ী নদী ভাঙন প্রতিরোধ, দারিদ্র্য বিমোচনসহ অঞ্চলের সকল উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাব আরও জোরালো ভূমিকা পালন করে যাবে।" তিনি জেলার সার্বিক অগ্রযাত্রায় দলমত নির্বিশেষে সকলের ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতা কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে কেক কাটার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন অতিথিরা।
বক্তারা বলেন, ৫৯ বছর ধরে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে জেলার উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও সংকটকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার যে দৃষ্টান্ত প্রেসক্লাব স্থাপন করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আগামীতেও পেশাদারিত্বের সাথে গণমানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে কাজ করবে — এই প্রত্যাশা করেন তারা।
কালের সমাজ/কে.পি

