ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমা শেষে চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ৮ জন প্রার্থী। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে নির্বাচনী লড়াই। যদিও মাঠে ৮ জন প্রার্থী থাকলেও ভোটারদের ধারণা এ আসনে মূলত ত্রিমুখী লড়াই হতে যাচ্ছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা নাজমুল হাসান সরকার প্রার্থীদের হাতে নিজ নিজ নির্বাচনী প্রতীক তুলে দেন।
ডাকাতিয়া নদীবেষ্টিত এই সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন
বিএনপির প্রার্থী লায়ন মো. হারুনুর রশিদ (ধানের শীষ),বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিল্লাল হোসেন মিয়াজী (দাঁড়িপাল্লা), স্বতন্ত্র প্রার্থী এম. এ. হান্নান (চিংড়ি), ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী মুকবুল হোসাইন (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহমুদ আলম (লাঙ্গল), গণফোরামের প্রার্থী মুনির চৌধুরী (উদীয়মান সূর্য), ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী আব্দুল মালেক বুলবুল (মোমবাতি) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকির হোসেন (ফুটবল)।
একটি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ফরিদগঞ্জ উপজেলায় মোট ১১৮টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬ হাজার ৩১ জন। ভোটারদের মধ্যে নারী ও পুরুষের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য বলে জানিয়েছে নির্বাচন অফিস।
স্থানীয় ভোটাররা জানিয়েছেন, ৮ জন প্রার্থী থাকলেও আমরা মনে করি মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা তিন প্রার্থীর মধ্যে হবে। কারণ তাদের সক্রিয়তা, এলাকার পরিচিতি এবং কাজের হিসাব আমাদের কাছে স্পষ্ট। শেখ ফাহাদ নামের এক ভোটার বলেন, আমরা চাই প্রার্থী আমাদের এলাকার উন্নয়নে মনোযোগ দিক। যিনি বাস্তবভাবে কাজ করেছেন, তাকে সমর্থন দেব। যাদের কর্মসূচি ও পরিচিতি বেশি, তাদের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হবে।
রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। যাচাই-বাছাই ও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার শেষে ৪ জন প্রার্থী বাদ পড়েন। ফলে চূড়ান্তভাবে ৮ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে টিকে থাকেন।
প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রার্থীদের সমর্থক ও নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন স্থানে নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে মিছিল ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে ফরিদগঞ্জের রাজপথ।


আপনার মতামত লিখুন :