চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর পরীক্ষায় মোট পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। এর মধ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১.৬৩ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৫.৪২, রাজশাহী বোর্ডে ৬৩.৬৭ , যশোর বোর্ডে ৬৬.২৭, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৯.৪৮, সিলেট বোর্ডে ৫৮.৩৩, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৮.০৫, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৭.৩৯, মাদরাসা বোর্ডে ৫৫.৪৯, কারিগরি বোর্ডে ৫৮.২০।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের গ্রুপভিত্তিক ফলাফলেও বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাসের হার তুলনামূলকভাবে বেশি। বিজ্ঞান বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৮০ দশমিক ৯০ শতাংশ। মানবিক বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৪১ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৫৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ছাত্রদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৬৯ দশমিক ৯২ শতাংশ।
ফলাফলের তুলনামূলক তথ্যে দেখা যায়, ২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৭৪ হাজার ৬০১ জন।
এদিকে পরীক্ষাকেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। ২০২৫ সালে পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল ৩ হাজার ৭১৪টি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছিল ৩০ হাজার ৮৮টি। এর মধ্যে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠান ছিল ৯৮৪টি। কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি—এমন প্রতিষ্ঠান ছিল ১৬৪টি।
চলতি বছর পরীক্ষাকেন্দ্র বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৮৮০টি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৪০২টিতে। তবে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে হয়েছে ৬৬৮টি। বিপরীতে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি—এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১২টিতে।
কালের সমাজ/এসআর

