‘হাওয়া’ সিনেমা দিয়ে আলোচনায় আসেন অভিনেত্রী নাজিফা তুষি। গেল ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেয়েছে তার নতুন সিনেমা ‘প্রেশার কুকার’। রায়হান রাফী পরিচালিত এ ছবি নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। ছবিতে অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছেন তুষি।
ছবিতে চার নারীর গল্প দেখানো হলেও তার মধ্যে তুষিই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রটিতে অভিনয়ের সুযোগ পান। সেটিকে ভালোভাবে কাজেও লাগিয়েছেন এ অভিনেত্রী।
এদিকে, তুষির জন্য সুখবর হলো- এবার ঈদুল আজহাতেও থাকছে তার সিনেমা। পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ দিয়ে এবার পর্দায় আসতে চলেছেন তুষি। এ ছবিটির ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই দর্শকদের আগ্রহ রয়েছে ছবিটির প্রতি। অনেকটা সময় নিয়ে ‘হাওয়া’র পর ‘রইদ’ বানিয়েছেন সুমন। এ ছবিটি ঈদেই মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক।

‘রইদ’ গড়ে উঠেছে সাধু ও তার মানসিক ভারসাম্যহীন স্ত্রীকে নিয়ে। মূল ভূমিকায় রয়েছেন- নাজিফা তুষি ও মোস্তাফিজুর নূর ইমরান। এ ছবিটির সেট তৈরিতে ফাঁকা জায়গায় প্রায় ৫০ হাজার গাছ লাগিয়েছিলেন পরিচালক। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে সেই গাছগুলোর নিবিড় যত্ন নেয়া হয়েছিল, পুরো এলাকাটি যেন সিনেমার সঙ্গে মিশে যায়। গল্পের প্রয়োজনে কোনো কৃত্রিম গ্রাফিক্স নয়; বরং শুটিংয়ের প্রয়োজনে নির্মাণ করা হয় একটি বাড়ি।
এই চলচ্চিত্রে তিনি হাজার বছরের পুরনো আখ্যানকে সমসাময়িক অনুভূতির ভেতর দিয়ে পুনর্নির্মাণ করার চেষ্টা করেছেন। এতে গ্রামীণ বাংলার নান্দনিকতা ও চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের শিল্পভাবনা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

তুষি বলেন, পর পর বছরের দু’টি ঈদে সিনেমা মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি আমার জন্য বেশ আনন্দের। আমি আশা করবো- ‘রইদ’ মানুষের মনে আরও বেশি গেঁথে থাকবে, যেমনটা হয়েছিল ‘হাওয়া’র সময়।
কালের সমাজ/এসআর

