ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

উগান্ডা থেকে আসা নারীকে ঘিরে ইবোলা আতঙ্ক

কালের সমাজ ডেস্ক | মে ২৭, ২০২৬, ১১:০৮ এএম উগান্ডা থেকে আসা নারীকে ঘিরে ইবোলা আতঙ্ক

আফ্রিকায় ইবোলা সংক্রমণ বাড়তে থাকার মধ্যেই ভারতে প্রথমবারের মতো সন্দেহভাজন ইবোলা রোগী শনাক্ত হয়েছে। উগান্ডা থেকে আসা এক ভারতীয় নারীকে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বেঙ্গালুরুর একটি হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত ভারতে কোনও নিশ্চিত ইবোলা সংক্রমণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট বলছে, ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে এক নারীকে সন্দেহভাজন ইবোলা সংক্রমণের কারণে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই নারীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং পরীক্ষার জন্য নমুনা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে পাঠানো হয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত দেশটিতে কোনও নিশ্চিত ইবোলা রোগী শনাক্ত হয়নি বলেও জোর দিয়ে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘আফ্রিকার কিছু অংশে সাম্প্রতিক ইবোলা প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে ভারত সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।’

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্দেশনা অনুযায়ী কর্ণাটক রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে নজরদারি ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার এবং গুজব না ছড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এপিডেমিক ডিজিজেস হাসপাতালের মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট অনুল কুমার বানাগার জানান, ২৮ বছর বয়সী ওই নারী উগান্ডা থেকে প্রথমে আহমেদাবাদে যান। পরে তিনি বেঙ্গালুরুতে পৌঁছান। বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় তার মধ্যে কোনও উপসর্গ পাওয়া যায়নি। তবে তিনি ইবোলা আক্রান্ত দেশ থেকে আসায় কর্তৃপক্ষ তার ওপর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছিল।

দ্য হিন্দুকে দেয়া বক্তব্যে ডা. বানাগার বলেন, ‘জেলা নজরদারি দল ও বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছিলেন। প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর তার শরীরে হালকা ব্যথা দেখা দেয়। এরপর নমুনা সংগ্রহ করে পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে পাঠানো হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এক-দুই দিনের মধ্যে পরীক্ষার ফল পাওয়া যেতে পারে। ফল নেগেটিভ এলেও নিয়ম অনুযায়ী ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পর আবার পরীক্ষা করা হবে। পরপর দুইবার নেগেটিভ রিপোর্ট আসার পরই তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হবে।’

কালের সমাজ/এসআর

Link copied!