আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, পার্লামেন্টে বেশ কিছু বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তার একটি হলো বিচার বিভাগ পৃথক সচিবালয় আইন, মানবাধিকার কমিশন আইন, গুম কমিশন আইন ও জুলাই সনদ আইন। আমরা পার্লামেন্টে স্পষ্ট ভাবে বলেছি, প্রত্যেকটি আইনই যাচাই-বাছাই করেই সংসদে উত্থাপন হবে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির নতুন ভবনের দার উন্মোচন ও সদস্যদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু।
সভায় আইনমন্ত্রী আরও বলেন,আমরা ইন্টেলেকচুয়াল দুর্নীতির পথ বন্ধ করতে চাই।
এই মন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার কমিশন, গুম কমিশন নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে। তাছাড়া জুলাই সনদে কিছু অংশে প্রতারণার আশ্রয় নেয়া হয়েছে। ওইসব অংশ বিএনপি তার অঙ্গীকার অনুযায়ী তা বাস্তবায়ন করবে।
আইনমন্ত্রী ঐতিহ্যবাহী যশোর কোর্টকে তার স্বরূপে ফিরিয়ে আনতে এবং বিচার বিভাগের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধিতে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। যাতে বার কাউন্সিল থেকে আইনজীবীরা মৃত্যুর পর কোটি টাকা পেতে পারে।
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, যশোর-৫ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক, জেলা জজ মাহমুদা খানম, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন প্রমুখ।
কালের সমাজ/কে.পি

