ঢাকা শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

মুরগির দাম ঊর্ধ্বমুখী, স্বস্তি নেই সবজিতেও

কালের সমাজ ডেস্ক | এপ্রিল ৩, ২০২৬, ০৫:২১ পিএম মুরগির দাম ঊর্ধ্বমুখী, স্বস্তি নেই সবজিতেও

ক্রেতারা বলছেন, এখন যে অবস্থায় আছে সেটিও থাকলে কোনমতে বাঁচা যায়। জ্বালানি তেলের সঙ্কট বাড়ছে এর প্রভাব যদি বাজারে আসতে থাকে তবে মধ্যবিত্ত-নিম্নমধ্যবিত্তদের জীবন চালানোই কঠিন হয়ে পড়বে।


শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।


রাজধানীর রামপুরা কাঁচাবাজারে দেখা যায়, কক মুরগি ৪৪০, ব্রয়লার ২০০ এবং দেশি মুরগি ৭২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, কক মুরগির দাম বেড়েই চলেছে। গত কয়েকদিন আগেও এই মুরগি ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যেই ছিল। আজ এটি ৪৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতা আসলাম হোসেন বলেন, কক ৪২০ টাকা দরে আমরা কিনেছি। ৪৪০ টাকায় বিক্রি না করলে আমাদের কিছুই থাকবে না। ব্রয়লার ও দেশি মুরগির দাম বাড়ছে।

তিনি বলেন, বাজারে সরবরাহ কম, এ কারণে দাম বেশি। ঈদের আগে থেকেই মুরগির সরবরাহ কম। এ কারণে দাম বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সরবরাহ ঠিক না হলে দাম বাড়তেই থাকবে বলে জানান তিনি।

এছাড়া বাজারে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮২০ টাকা কেজি দরে। বিক্রেতারা বলছেন, গরুর মাংসের দাম বাড়েনি বরং এটি কমতির দিকে। হাটে গরুর দাম কমের কারণে মাংসের দামও কেজি প্রতি ৩০ টাকা কম।

মাছের বাজারে দেখা গেছে, রুই, মৃগেল ও কাতল মাছ ওজন ভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।


সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়, আলু কেজি প্রতি ২০ টাকা, পটল ১২০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৮০ টাকা, ঝিঙা ১৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১২০ টাকা, বেগুন ১৪০ টাকা, সজনে ডাটা ১২০ টাকা, সিম ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাউ প্রতি পিস ১০০ টাকা, ফুলকপির পিস মিলছে ৮০ টাকায়।

আব্দুল হালিম নামে সবজি বিক্রেতা জানান, সবজির বাজার চড়া না। দাম উঠা-নামার মধ্যে রয়েছে। সরবরাহ খারাপ না। যে কারণে একবারে লাফ দিয়ে কোনটার দাম বাড়েনি। ১০ টাকা ২০ টাকা কিছুটাতে বেড়েছে। আবার কিছুটা একটু কমতির দিকে।

শুধু রামপুরা বাজার না, পাশের মালিবাগ, খিলগাঁও, মেরাদিয়া, কাওরানবাজারসহ প্রায় সব বাজারে একই দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে।

মেরাদিয়া বাজারে বাজার করতে আসা আব্দুস সোবহান বলেন, সবজির বাজার ঊর্ধ্বমুখী। গ্যাসের দাম একলাফে প্রায় ৪০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এভাবে সব জিনিসের দাম বেড়ে গেলে আমাদের মতো পরিবারের চাপ অনেক বাড়বে।  

একই বাজারে বাজার করতে আসা মফিজুর রহমান বলেন, তেলের দামের প্রভাবে বাজারে সব জিনিসের দাম বেড়ে যাবে। আমরা নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন আমাদের ওপর কী প্রভাব আসবে কল্পনাও করা যায় না। সরকারের প্রতি বিশেষ অনুরোধ, তারা যেন বাজারের দিকে নজর ঠিকমতো রাখে।

 

কালেন সমাজ/ কে.পি

Link copied!