জানা গেছে, ওয়ারিশ সুত্রে প্রাপ্ত সাবজান বেগম ১৯৮৪ সালে ভমি রাহাতন নেছার নিকট ও বাকী ৭ শতাংশ নজরুল ও আলতাফ গং এর নিকট বিব্রি করে।নজরুল ই দলিলের ২.৩৩শতাংশ ভূমি মালিক হন। পওে ১৯৯৯ সালে রাহাতন নেছা হেম দলিলে নজরুলকে ৫শতাংশ জমি দান করেন।
দুটি দলিলে নজরুল মোট ৭,৩৩শতাংশ ভুমি মালিক এবং দ্বিতীয় পক্ষ আলতাফ গংরা ৪,৬৭ শতাংশের মালিক হন।নজরুল প্রবাসে থাকার কারনে তার শশুর মোঃ শাজাহান কে ্ওই জমি দেখা শুনা ও প্রয়োজনে মামলা করা সহ আমমোক্তার নিয়োগ করেছেন। দালিল মূলে উভয় পক্ষ পৃথক ছাহাম কওে ভোগদখল করছে।বি এস রেকর্ডে ১৩৯ খতিয়ানে ২৩৬৬ দাগে ৮ শতাংশ,২৪৫৩ দাগে ৪শতাংশ সামনে অংশ নজরুল ও আলতাফ গংদেও নামে রেকর্ড হওয়ায়নজরুল তার প্রাপ্ত অংশ বুঝে পেতে মির্জাপুর সিভিল আদালতে রেকর্ড সংশোধনের জন্য মামলা (২৫৪/২০২৪ করেন।
বিবাদী পক্ষ নজরুলের অনুপস্থিতিতে বাদীকে নিরীহপেয়ে তাকে প্রাণ নাশের হুমকি ও নজরুলের প্রাপ্য ভূমি জবরদখলের চেষ্টা করছে। ফলে শান্তির্ শৃংখলা বজায় রাখতে ১৪৪ ধারার বিধান মতে প্রসেডিং গঠনের দাবি জানেিয়ছেন।
মির্জাপুর থানার (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ বিষয়ে ্ওই মৌজায় শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে ১৪৪ ধারা আদেশ জারি করা হয়েছে। এবং আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।
কালের সমাজ/ কে.পি

