মেলার মূল আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত স্থানীয় মাজারটিতে সকাল থেকেই ভিড় জমাচ্ছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষ। ভক্তরা মাজার জিয়ারত করছেন এবং মানত অনুযায়ী মিষ্টি বাতাসা , মোমবাতি ও আগরবাতি প্রদান করছেন। আর লোকজ সংস্কৃতির এক অপূর্ব মিলনমেলা ঘটেছে এই মাজার প্রাঙ্গণে।
মেলার প্রধান আকর্ষণ হলো এর বৈচিত্র্যময় দোকানপাট ও খাবারের দোকান জিলাপি, রসগোল্লা, মিষ্টি -বাতাসা এবং বাহারি সব মিষ্টির দোকানশিশুদের বিনোদন এর জন্য রয়েছে হরেক রকমের খেলনা এবং নাগরদোলার মতো মুখরিত অনেক কিছু মাটির তৈরি তৈজসপত্র থেকে শুরু করে বাঁশ ও বেতের তৈরি ঘর সাজানোর জিনিসের বিশাল সমারোহ দেখা গেছে।
শুধুমাত্র কাশিয়ানী নয়, বরং গোপালগঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো থেকেও হাজার হাজার দর্শনার্থী এই মেলায় যোগ দিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই মেলা তাদের কাছে একটি বার্ষিক মিলনমেলা। আত্মীয়-স্বজনরা এই মেলা উপলক্ষে একে অপরের বাড়িতে বেড়াতে আসেন।
মেলায় আসা একজন দর্শনার্থী জানান, "বংশপরম্পরায় আমরা এই মেলায় আসি। এখানকার পরিবেশ এবং ঐতিহ্য আমাদের খুব টানে। বিশেষ করে মাজারের ভক্তি আর মেলা থেকে কেনাকাটা করাটা আমাদের পরিবারের জন্য অনেক আনন্দের।"আগামী তিন দিন এই উৎসব চলবে। মেলার নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থানীয় প্রশাসন ও আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
কালের সমাজ/ কে.পি

