প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানায়, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২৯ মার্চ রোববার থেকে ক্লাস শুরুর কথা থাকলেও শিখন ঘাটতি পোষাতে সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করায় শনিবার থেকেই পাঠদান শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, রোজার ছুটি শুরু হওয়ার কথা ছিল ৮ মার্চ থেকে। তবে অভিভাবকদের করা রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের নির্দেশ এবং পরবর্তীতে নতুন সরকারের সিদ্ধান্তে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকেই প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ফলে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ১৭ দিন আগেই ছুটি শুরু হয়। সংশোধিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত বিদ্যালয় বন্ধ ছিল। ২৭ মার্চ শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি শেষে শনিবার থেকেই ক্লাস শুরু হচ্ছে।
এদিকে শিখন ঘাটতি কমাতে ঈদের পর বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় প্রথম ১০টি শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এসব দিনে নিয়মিত ক্লাস নেওয়া হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দীর্ঘ ছুটির কারণে সৃষ্ট শিখন ঘাটতি কমাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এসব বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক সংখ্যা ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৯৮১ জন এবং প্রাথমিক স্তরে (প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি) শিক্ষার্থী রয়েছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ১৩ হাজার ৬৮৫ জন।

