ঢাকা শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২

লামায় স্বাধীনতা দিবস কুচকাওয়াজে কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের সাফল্য

কালের সমাজ ডেস্ক | মার্চ ২৬, ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম লামায় স্বাধীনতা দিবস কুচকাওয়াজে কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের সাফল্য

জেলা স্টেডিয়াম, চট্টগ্রাম-এ বিভাগীয় পর্যায়ের কুচকাওয়াজে দৃষ্টিনন্দন প্যারেড প্রদর্শনের জন্যে বরাবরের মতো এবারও কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রদান করা হয় বিশেষ সম্মাননা পেয়েছে ২৬ মার্চ  বৃহস্পতিবার।

২৯ জন মেয়ে শিক্ষার্থীর একটি চৌকস প্যারেড দলের পরিবেশনায় চমৎকৃত হন প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ এবং দর্শনার্থীরা। বান্দরবান পার্বত্য জেলা স্টেডিয়ামে চারটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার প্রতিটিতেই শীর্ষস্থান জিতে চমক সৃষ্টি করেছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ। এ বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি থেকে অংশ নেয় ৬৪ সদস্যবিশিষ্ট প্যারেড ছোট ও বড় দল (উভয় দলে ৩২ জন), ২৩ সদস্যের ব্যান্ড দল এবং ১৪৬ জন খুদে শিশুর সমন্বয়ে গঠিত সুসজ্জিত ডিসপ্লে দল। 

কোয়ান্টামের শিক্ষার্থীদের অসাধারণ নৈপুণ্যে বিমোহিত হয়ে গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকরা তাদের জানান উচ্ছ্বসিত অভিনন্দন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সালাম গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শামীম আরা রিনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলার পুলিশ সুপার আব্দুর রহমান।

উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় লামা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রতি বছরের মতো প্যারেড ও ডিসপ্লে উভয় ইভেন্টেই অপরাজেয় থেকে কুড়িয়ে নেয় মাঠ ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকা মুগ্ধ দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত করতালি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন। আরও উপস্থিত ছিলেন লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. শাহজাহান কামাল ও তার সহধর্মিণী,লামা পৌরসভার সাবেক মেয়র মো.আমির হোসেন,লামা উপজেলা বিএনপি-র সাবেক সভাপতি মো. আবদুর রব, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ। উল্লেখ্য, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২০০১ সালে শিক্ষালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।

দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ২২ জাতিগোষ্ঠির আড়াই হাজারের বেশি ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থী এখানে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠছে সম্পূর্ণ নিখরচায়, যা পার্বত্য বান্দরবান তথা সারা বাংলাদেশে যা সৃষ্টি করেছে সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ঘেরা এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসম্পন্ন লেখাপড়া ও সুশৃঙ্খল পরিবেশের পাশাপাশি রয়েছে নিয়মিত মেডিটেশন, ইয়োগা ও শুদ্ধাচার চর্চা এবং অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে মেধা বিকাশের অপূর্ব সুযোগ। চলতি বছরে উচ্চশিক্ষার সুযোগপ্রাপ্ত ৩৮ জন সহ বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী সরকারি মেডিকেল কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছেন।

 

কালের সমাজ/ কে.পি

Link copied!