ঢাকা সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২

শ্রীপুরে স্বাস্থ্যসেবায় অনিয়ম: সিলগালা, জরিমানা

শ্রীপুর উপজেলা প্রতিনিধি, গাজীপুর | মার্চ ৩০, ২০২৬, ০৫:৫৪ পিএম শ্রীপুরে স্বাস্থ্যসেবায় অনিয়ম: সিলগালা,  জরিমানা

অভিযানকালে মাওনা চৌরাস্তার ‘জহির ডায়াগনস্টিক চক্ষু এন্ড জেনারেল হাসপাতাল’-এ গিয়ে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় ফায়ার সার্ভিসের কোনো অনুমোদন নেই। এছাড়া হাসপাতালের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক যন্ত্রপাতিতে গুরুতর কারিগরি ও যান্ত্রিক ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়। এসব অভিযোগে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব ত্রুটি সংশোধনের কড়া নির্দেশ প্রদান করা হয়।

‎ মাওনা সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ট্রমা সেন্টার’-এ প্রবেশ করলে এক নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সব ফেলে পালিয়ে যান। ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে গিয়ে লাইট-ফ্যান বন্ধ অবস্থায় কেবল একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে (কাজের বুয়া) দেখতে পান। এ অবস্থায় হাসপাতাল থেকে একটি ল্যাপটপ ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

‎ অভিযান শেষে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবশ্যই সরকারি নীতিমালা মেনে চলতে হবে। জহির ডায়াগনস্টিক হাসপাতালে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ঘাটতি ও যন্ত্রপাতির ত্রুটি রোগীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

‎অন্যদিকে, মাওনা সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক কর্তৃপক্ষের পালিয়ে যাওয়া প্রমাণ করে তারা নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছিল না। জনস্বার্থে এ ধরণের অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে এবং নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে।

‎মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজীব আহমেদ। এসময় শ্রীপুর থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত থেকে আইনশৃঙ্খলায় সহায়তা প্রদান করে।

মদ পানের প্রকৃত উৎস এবং বিষক্রিয়ার বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে মাইজ উদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে বাড়িতে পাওয়া যায় নাই এবং তার মোবাইল ফোন বন্ধ

দোকানদার মাইজ উদ্দিনের এমন অপেশাদার ও অমানবিক আচরণের পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে কি না, তা নিয়েও গুঞ্জন চলছে।

একজন মানুষকে মুমূর্ষু অবস্থায় দোকানে তালা মেরে রেখে যাওয়া কোনো স্বাভাবিক ঘটনা হতে পারে না।

আফাজ উদ্দিনের মৃত্যু নিয়ে এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব যে এটি সাধারণ দুর্ঘটনা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড জড়িত।

এখন পর্যন্ত নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়নি বলে জানা গেছে। তবে রহস্যজনক এই মৃত্যু নিয়ে এলাকায় নানামুখী আলোচনার ঝড় বইছে
 

 

কালের সমাজ/ কে.পি

Link copied!