সোমবার (৩০ মার্চ) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য আখতার হোসেন ও জয়নুল আবদিন ফারুকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, “জুলাই যোদ্ধাদের ইনডেমনিটি (দায়মুক্তি) দেওয়ার বিষয়ে ‘জুলাই জাতীয় সনদে’ আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।
এটি আমাদের অঙ্গীকারনামার পাঁচ কী ছয় নম্বর দফা। এই অঙ্গীকারের প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ‘জুলাই যোদ্ধা সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ জারি করা হয়েছিল। বর্তমানে ১৩৩টি অধ্যাদেশের সঙ্গে এটিও জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “এসব অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ২০ তারিখ কমিটিতে এসব নিয়ে আলোচনা হবে। সর্বসম্মতিক্রমে জুলাই যোদ্ধা সুরক্ষা অধ্যাদেশটি সংসদে বিল আকারে উপস্থাপন করে পাস করার বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন।”
মন্ত্রী বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে যারা হানাদার বাহিনীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে গণহত্যা চালিয়েছে, জনতার প্রতিরোধের মুখে তাদের কেউ কেউ হয়তো প্রাণ হারিয়েছে। কারণ, ওটা ছিল একটা রণক্ষেত্র। সেখানে জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্যই এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে সারাদেশের মানুষ একমত।”
ছাত্র-আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডে পুলিশের বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “পুলিশের বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের স্পেসিফিক মামলা হয়েছে। কিছু মামলা আইসিটি আইনে এবং কিছু সাধারণ আইনের অধীনে আদালতে রয়েছে। এগুলোর তদন্ত ও চার্জশিট দেওয়ার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু মামলার বিচারকাজ শুরু হয়েছে এবং তা টেলিভিশনে লাইভ সম্প্রচারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগে।”
কালের সমাজ/কে,পি

