ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করলেন প্রধানমন্ত্রী

কালের সমাজ ডেস্ক | মে ২৮, ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা সেনানিবাসে সেনাসদস্যদের সঙ্গে ফটোসেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

সেনাসদস্যদের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ ভাগাভাগি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঢাকা সেনানিবাসে অফিসার, জেসিও ও সৈনিকদের সঙ্গে ঈদ প্রীতিভোজেও অংশ নেন তিনি।

অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ আশিকুর রহমান এবং ২৫ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম।

এসময় সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বহু বছর পর নিজের পুরোনো ও স্মৃতিবিজড়িত সেনানিবাস এলাকায় এসে তিনি আনন্দিত ও আবেগতাড়িত। সেনানিবাসের শৃঙ্খলা, সহযোদ্ধা সুলভ বন্ধন এবং সেনাসদস্যদের আন্তরিকতা তার কাছে বিশেষভাবে স্মরণীয়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নত পেশাদার মান, দায়িত্ববোধ এবং দুর্যোগ মোকাবেলাসহ দেশের যেকোনো প্রয়োজনে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর ঐতিহ্য আমাকে গর্বিত করে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় রাষ্ট্রের আস্থার প্রতীক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। দুর্যোগ মোকাবিলা থেকে শুরু করে জাতীয় যেকোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর অবদান দেশের মানুষের কাছে গভীরভাবে মূল্যায়িত।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেম নিয়ে জাতির সেবায় নিয়োজিত থাকবেন।

প্রীতিভোজ শেষে তিনি সেনাসদস্যদের জন্য নির্ধারিত ইউনিট পরিদর্শন করেন। পরে ইউনিট প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। পরবর্তীতে অফিসার, জেসিও ও অন্যান্য পদবির সেনাসদস্যদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন তিনি। কর্মসূচির শেষাংশে সেনাসদস্যদের সঙ্গে জোহরের নামাজও আদায় করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে গভীর উৎসাহ, অনুপ্রেরণা ও গৌরবের সঞ্চার করেছে। বিশেষ করে ঈদের দিনে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সরাসরি উপস্থিতি সেনাসদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি করেছে এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত অঙ্গীকার, দায়িত্ববোধ ও দেশসেবার প্রেরণাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।
কালের সমাজ/এএইচবি 
 

Link copied!