বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও জাতীয় ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম-এর অবদান আজও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। তাঁর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন।
এক স্মারক বার্তায় হাইকমিশন উল্লেখ করে, বাংলাদেশের জনগণ যখন জাতির এই মহান সন্তানকে স্মরণে একত্রিত হয়েছে, তখন তারা ফিরে দেখছে ১৯৭১ সালের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে, যখন জিয়াউর রহমানের দৃপ্ত কণ্ঠে উচ্চারিত স্বাধীনতার আহ্বান বেতার তরঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র জাতির মাঝে। তাঁর সেই অগ্নিঝরা ঘোষণা মুক্তিকামী মানুষকে সাহস, শক্তি ও প্রেরণা জুগিয়েছিল; নিপীড়ন ও শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ করেছিল এবং স্বাধীনতার চূড়ান্ত লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে পথ দেখিয়েছিল।
বার্তায় আরও বলা হয়, ১৯৭১ সালে যেমন ভারত বাংলাদেশের জনগণের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের পাশে দাঁড়িয়েছিল, তেমনি আজও দুই দেশের জনগণের অভিন্ন ইতিহাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির যাত্রায় ভারত বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। এই বন্ধন শুধু কূটনৈতিক সম্পর্কের নয়, বরং আত্মত্যাগ, সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের এক গৌরবময় ঐতিহ্যের প্রতীক।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি, তাঁর দেশপ্রেম, নেতৃত্ব ও স্বাধীনতার সংগ্রামে অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

