ঢাকা শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বর্জ্য অপসারণে

বর্জ্য অপসারণে রাজপথে প্রধানমন্ত্রী, গাফিলতিতে দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক | মে ৩০, ২০২৬, ০১:৩৪ পিএম বর্জ্য অপসারণে রাজপথে প্রধানমন্ত্রী, গাফিলতিতে দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত

আঞ্চলিক কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজির ও মো. সাদেকুর রহমান

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীতে কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ কার্যক্রম দেখতে নিজেই সরেজমিন পরিদর্শনে সড়কে নামেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দায়িত্বে অবহেলার দায়ে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে (উপসচিব) তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুই কর্মকর্তা হলেন, মো. সাদেকুর রহমান (উপসচিব), আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, জোন-৫, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।

অন্যজন কাজী সালেহ মুস্তানজির (উপসচিব), আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, জোন-১, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

এদিকে শুক্রবার (২৯ মে) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার সড়ক ঘুরে দেখেন এবং বর্জ্য অপসারণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজধানীর হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিন রোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকায় কোরবানির ঈদের বর্জ্যসহ আগের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে চরম স্থবিরতা ও নাগরিক দুর্ভোগের বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ের নজরে আসলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাৎক্ষণিকভাবে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পরপরই দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয় এবং একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার কারণে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে এবং পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়তে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। ঈদের বর্জ্য অপসারণের মতো সংবেদনশীল ও জরুরি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে অবহেলা কোনোভাবেই বরখাস্তযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন গাফিলতি দেখা গেলে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজও, তখনকার মতোই, ভারত বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অভিন্ন আত্মত্যাগের এক গৌরবগাঁথা এবং উভয় দেশের জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির অভিন্ন যাত্রায় পাশে রয়েছে।
কালের সমাজ/এএইচবি 

Link copied!