স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাকবাসিয়া খেয়াঘাটের কাছে পাউবোর এই বাঁধে সম্প্রতি বালির বস্তা (জিও ব্যাগ) ফেলে সংস্কার করা হয়েছিল। গত কয়েক দিন ধরে বাঁধটিতে ফাটল দেখা দিলেও পরবর্তী কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। রোববার সকালে নদীর প্রবল স্রোতে সবুর গাজীর বাড়ির পাশের অংশটি ধসে পড়ে। বর্তমানে ভাঙন এলাকা ছাড়াও বাঁধের উত্তর ও দক্ষিণে আরও দুটি পয়েন্ট মারাত্তক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
ভাঙন এলাকা সংলগ্ন উত্তরের ৫০ ফুট ও দক্ষিণের ১০০ ফুটের দুটি অংশে নতুন করে ভাঙন দেখা দিচ্ছে। গত বছর ঈদুল ফিতরের দিন এই বাঁধ ভেঙে আনুলিয়া ইউনিয়নের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছিলেন। সে সময় ব্যাপক ফসল ও মৎস্য ঘেরের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। রাতের জোয়ারের আগে বাঁধটি সংস্কার করা না গেলে পুরো এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।
এঘটনার পর খবর পেয়ে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. রুহুল কুদ্দুছসহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস জানান, “বাঁধের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। প্রতি মুহূর্তে মাটি নদীতে চলে যাচ্ছে। দ্রুত ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে সংস্কার না করলে লোকালয় রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
সার্বিক বিষয়ে সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাজকিয়া দুপুরে জানান, ভাংগনের খবর শোনার পরপরই স্থানীয় এসওকে পাঠানো হয়েছিল।
তিনি প্রাথমিকভাবে দেখে ইতোমধ্যে ভাঙ্গনকবলিত স্থানে কিছু বস্তা ফেলেছেন। আরো প্রয়োজনীয় বস্তা প্রস্তুত হচ্ছে। আজ কালের মধ্যে উক্ত স্থানে ফেলা হবে। তবে এখন পর্যন্ত যে অবস্থায় আছে ঝুকি অনেকটাই কমেছে। আরো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্চে।
কালের সমাজ/ কে.পি

