ঢাকা রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২

ভৈরব সেতুর সংযোগ সড়ক মহাসড়কে যুক্ত করতে নতুন পরিকল্পনা

এম রুহুল আমীন, খুলনা ব্যুরো | এপ্রিল ১১, ২০২৬, ১০:০৫ পিএম ভৈরব সেতুর সংযোগ সড়ক মহাসড়কে যুক্ত করতে নতুন পরিকল্পনা

খুলনার দৌলতপুরে ভৈরব নদীর উপরে নির্মানাধীণ সেতুতে উঠানামা করতে মহাসড়কের যানজট নিরশনের লক্ষে ভৈরব সেতু সরজমিনে পরিদর্শন করেছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলীগণ।

ভবিষ্যতে যখন মহাসড়কের সাথে ভৈরব সেতুর সংযোগ সড়ক যুক্ত হলে যাতে যানজট সৃষ্টি না হয় তার উপরে  নতুন করে পরিকল্পনা করে নকশা তৈরি করার লক্ষ্যে শুক্রবার সকালে ভৈরব সেতু ও সংযোগ সড়কের অধিগ্রহণকৃত জমি পরিদর্শন করেন সওজ ব্রিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের (বিএমডব্লিউ) অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শিশির কান্ত রাওত, ইন্ডিয়ান কনসালটেন্ট সন্দীপ নিয়োগী, সওজ খুলনা জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জাকির হোসেন, তত্ত্বাবদায়ক প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,খুলনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তানিমুল হক, ভৈরব সেতুর প্রকল্প ম্যানেজার, সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী নাজমুল হোসেনসহ সওজ’র কর্মকর্তাগণ।

খুলনা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তানিমুল হক বলেন, ভৈরব সেতু নির্মাণ সম্পন্ন হলে সংযোগ সড়কটি মহাসড়কে এসে যুক্ত হবে। ভবিষ্যতে সেতুতে যাতায়াত করতে মহাসড়কে যেন উভয় প্রান্ত থেকে সহজে যাতায়াত করা যায় যানজটের সৃষ্টি না হয় সে কারণে  সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলীগণ বিভিন্ন মতামত দেন ও পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে।

এসময় তিনি যশোরমুখী ও খুলনামুখী যানবাহন চলাচলের সময় মহাসড়কে যানজট  মুক্ত রাখতে দিকনির্দেশনা দেন।

তিনি বলেন, ভৈরব সেতুর মুল অংশের নতুন নকশা প্রায় ৯০ ভাগ সম্পূর্ণ হয়ে গেছে। তবে আমাদের পরিকল্পনা চুড়ান্ত করা হয়েছে ভৈরব সেতু নির্মার্ণে নদীর ভিতরে কোন পিয়ার (কংক্রিট পিলার)  বসানো হবে না।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৪ মে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সেতুর দিঘলিয়া প্রান্তে সরকারি খাস জমির উপর ২৪ নং পিলারের টেস্ট পাইলিংয়ের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু করে ভৈরব সেতুর নির্মাণ কর্মযজ্ঞ। বর্তমান নকশা অনুযায়ী ভৈরব সেতুর পিয়ার বসবে মোট ২৮টি। এর মাধ্যমে সেতুর শহরাংশে কুলিবাগান হতে রেলিগেট ভৈরব নদীর তীর পর্যন্ত ১ থেকে ১৪ নং পিয়ার এবং সেতুর দিঘলিয়া প্রান্তে ১৭ থেকে ২৮ নং পিয়ার বসবে। ভৈরব সেতুর মোট দৈর্ঘ্য হবে ১ দশমিক ৩১৬ কিলোমিটার। সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬১৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এরমধ্যে মূল সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০৩ কোটি টাকা।

কালের সমাজ/এসআর

Link copied!