প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল এন্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ এন্ড রেসিলিয়েন্স (পার্টনার) ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের কর্মশালা শনিবার সকাল সাড়ে সোয়া ১০টায় পার্টনা প্রকল্পের সার্বিক তত্ত্বাবধানে দৌলতপুর ডিএই অতিরিক্ত পরিচালকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি ছিলেন ডিএই`র ঢাকা খামার বাড়ির ফিল্ড সার্ভিস উইং পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ ওবায়দুর রহমান মন্ডল।সভাপতিত্ব করেন খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ রফিকুল ইসলাম। সম্মানিত অতিথি ছিলেন পার্টনা প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রোগ্রাম পরিচালক ঢাকা খামারবাড়ি ড: গৌর গোবিন্দ দাস। খুলনা অঞ্চলের পার্টনার কর্মশালায় প্রধান অতিথি বলেন,পার্টনার প্রোগ্রাম সত্যিসত্যি বাংলাদেশের সহযোগী হিসেবে ভবিষ্যতে স্থান করে নিবে। পার্টনা প্রকল্পের মাধ্যমে স্মার্ট কৃষি কার্ড প্রদান করছে সরকার। পাটনার প্রকল্পে যে সকল ত্রুটি লক্ষণীয় হয়েছে সেগুলোকে শুধরিয়ে আরো নতুন নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আগামী অর্থবছরে পরিপূর্ণরূপে পার্টনার প্রকল্প কাজ করতে পারবে।
উপকূলীয় অঞ্চল ও লবণাক্ততা নিয়েই পার্টনার প্রোগ্রাম কাজ করছে। অবশ্যই লবণাক্তা বা উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য যে ধরনের কৃষি দরকার ও দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য যে ধরনের ভূমিকা রাখার দরকার সেই ভূমিকা আমরা রাখবো।কৃষক কার্ড তৈরি পার্টনার সাবসিটিতে ট্রাফসের মাধ্যমে করা হচ্ছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরই কৃষকদের ডিজিটাল কৃষি কার্ড দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। যে কারণে বর্তমানে বাংলাদেশের ১১ টি উপজেলায় ২২ হাজার কৃষককে পরীক্ষামূলকভাবে ডিজিটাল কৃষি কার্ড প্রদান করা হয়েছে।পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের সকল কৃষক এই ডিজিটাল কৃষি কার্ডের আওতায় আসবে। নতুন করে আরো ১৫টি উপজেলায় কৃষি কার্ড দেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।
সভাপতির বক্তৃতায় অতিরিক্ত পরিচালক রফিকুল ইসলাম বলেন,কৃষকদের খোরপোস কৃষি হয়ে উঠছে কৃষি বিপ্লব।২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত কৃষিতে রুপ নিবে।পার্টনার প্রোগ্রামের মাধ্যমে এদেশের কৃষি ও কৃষক আরো উন্নত হবে। অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দৌলতপুর এটিআই’র প্রাক্তন অধ্যক্ষ কৃষিবিদ এস এম ফেরদৌস,দৌলতপুর কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তা মোঃ কাম,রুল ইসলাম,খুলনা খামারবাড়ি ডিএই উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ নজরুল ইসলাম,দৌলতপুর উদ্যানতত্ত্ব কেন্দ্রের উপ-পরিচালক সঞ্জয় কুমার দাস,খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসরগন।
সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ও পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন ডিএই খুলনা অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ মোঃ মোসাদ্দেক হোসেন। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর মেট্রোপলিটন কৃষি অফিসার কৃষিবিদ শামীম আরা নিপা,কৃষি বিপণন অধিদপ্তরে প্রতিনিধি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রতিনিধি,খুলনার উপ-পরিচালক,নড়াইল সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার, খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলার কৃষি অফিসারগণ, রপ্তানিকারকগন,এনজিও কর্মী, কৃষক, সার ব্যবসায়ী, বীজ ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
কালের সমাজ/কে.পি

