ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের কড়ইবাড়ি গ্রামের যুবলীগ নেতা মো. সোহেল মিয়া ওরফে টাইগার সোহেলকে গত কাল (২৩/৬/২৬) রাতে আবারও জিনোদপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে নবীনগর থানার পুলিশ।
তার বিরুদ্ধে নবীনগর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানায় পুলিশ। তার গ্রেপ্তারের খবরে এলাকায় স্বস্তি বিরাজ করছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান- বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের এমপি এবাদুল করিম বুলবুলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে যুবলীগ নেতা সোহেলের উত্থান হয়। সে সময় তিনি এমপির প্রভাবে জিনোদপুর বাজার কমিটির সভাপতিও নির্বাচিত হন।
এক পর্যায়ে তিনি এলাকায় মারামারি, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক, নারী কেলেঙ্কারিসহ নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়ার পর এলাকায় নিজেকে ‘টাইগার সোহেল’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া শুরু করেন। আওয়ামী লীগ আমলে তিনি জিনোদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের ‘সভাপতি’ প্রার্থী হওয়ারও ঘোষণা দেন। তার বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি এলাকাবাসীর।
এ বিষয়ে নবীনগর থানার (ওসি) মোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন-মো. সোহেল মিয়া ওরফে টাইগার সোহেল একজন যুবলীগ নেতা ও চিহ্নিত অপরাধী। তার বিরুদ্ধে মারামারি, মাদক, চাঁদাবাজি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে। আজ (২৪/৬/২৬) তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আদালতে পাঠানো হবে। উল্লেখ্য এর আগে সোহেল মিয়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর স্থানীয় হাসান মিয়ার বাড়িতে ডাকাতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে ছিলেন।
কালের সমাজ/কে.পি

