ঢাকা বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

গুজব-অপপ্রচারকারীদের সাইবার আইনের আওতায় আনার চিন্তা সরকারের

বিশেষ প্রতিনিধি | জুন ২৪, ২০২৬, ০৮:৫৩ পিএম গুজব-অপপ্রচারকারীদের সাইবার আইনের   আওতায় আনার চিন্তা সরকারের

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, অপপ্রচার বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো রোধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি সাইবার সুরক্ষা আইনে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

বুধবার সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে লক্ষ্মীপুর- আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসেনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ভুয়া আইডি ব্যবহার করে অপপ্রচার গুজব ছড়ানো প্রতিরোধে সরকার আইনগত, প্রযুক্তিগত প্রাতিষ্ঠানিক নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

তিনি জানান, বিটিআরসি ফেসবুক, ইউটিউব টিকটকসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করে ক্ষতিকর, ভুয়া বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট অপসারণে কাজ করছে। একই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়িয়ে ভুয়া আইডি শনাক্তকরণ, সাইবার অপরাধ তদন্ত এবং অপপ্রচারকারীদের খুঁজে বের করার কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, নিরাপদ দায়িত্বশীল ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তুলতে আইনগত কাঠামো উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

অন্যদিকে, মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণা রোধে বিটিআরসি বাংলাদেশ ব্যাংক যৌথভাবে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহারকারীদের নিবন্ধনের তথ্য আরও নির্ভুলভাবে যাচাইয়ের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি যন্ত্রপাতি সংগ্রহের কাজ করছে। পাশাপাশি সিম নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে আরও নিরাপদ নির্ভুল করতে ফেসিয়াল রিকগনিশনভিত্তিক যাচাইকরণ ব্যবস্থা পরীক্ষামূলকভাবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে আপত্তিকর ওয়েবসাইট বা তথ্য ব্লকের নির্দেশনা দিলেও ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিটিআরসির নিজস্ব কোনো ব্লকিং প্রযুক্তি বা যন্ত্রপাতি নেই বলেও সংসদে জানান মন্ত্রী।

কালের সমাজ/এএইচবি

 

Link copied!