সরকারের বৃহত্তর লক্ষ্য হলো হাঁস-মুরগি উৎপাদনের খামার আধুনিকায়নের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা। হাঁস প্রজনন খামারের সক্ষমতা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। দেশের সকল খামারিকে কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে।
তিনি বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর ) দুপুরে খুলনা দৌলতপুর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের ব্রিফকালে এসব কথা বলেন,মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ে খামারের সংখ্যা বৃদ্ধি করা গেলে একদিকে যেমন কর্মংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, অন্যদিকে দেশের অর্থনৈতিক স্বনির্ভারতা অর্জনেও ভুমিকা রাখবে। দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে কৃষি ও খামারভিত্তিক উদ্যোক্তায় পরিণত করা গেলে বেকারত্বের হার কমানোর পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা আরো সুদৃঢ় হবে। এসময় প্রতিমন্ত্রী তরুণ উদ্যোক্তাদের খামারের প্রতি উৎসাহিত করতে সংশ্লিষ্টদের আহবান জানান।
এসময় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের উপপরিচালক মো: রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে তিনি আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন। পরে প্রতিমন্ত্রী খালিশপুর ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্ক সংলগ্ন ঝিলপুকুর (লেক)-এ মাছের পোনা অবমুক্ত করেন এবং বিকালে রূপসা উপজেলার জাবুসা টোটাল সি ফুড প্রসেসিং ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করেন।
কালের সমাজ/কে.পি

