ঢাকা শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর, ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ ও বিনষ্ট

ইলিশ রক্ষায় দাকোপের পশুর নদীতে যৌথ অভিযান

খুলনা ব্যুরো | অক্টোবর ৯, ২০২৬, ১০:১১ পিএম ইলিশ রক্ষায় দাকোপের পশুর নদীতে যৌথ অভিযান

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ‍‍`মা ইলিশ‍‍` নিরাপদে ডিম ছাড়ার সুযোগ করে দিতে খুলনার দাকোপে পশুর নদীতে এক যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে নৌ পুলিশ ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর। গত বৃহস্পতিবার পশুর নদীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দিনব্যাপী এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়।

​অভিযানকালে নদী থেকে আনুমানিক ৭০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং ৫টি বেহুন্দী জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত এসব অবৈধ জাল জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

​অভিযানে নেতৃত্ব দেন নৌ পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি প্রবীর কুমার রায়। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন নৌ পুলিশ খুলনা অঞ্চলের পুলিশ সুপার ডা. মুহাম্মদ মঞ্জুর মোর্শেদ, দাকোপ নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. নুরুল আমিন হাওলাদার এবং দাকোপের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দিক।

​অভিযান শেষে নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি প্রবীর কুমার রায় বলেন, "জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষায় আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। মা ইলিশ ডিম ছাড়ার এই বিশেষ সময়ে কোনো অসাধু জেলেকে নদীতে নামতে দেওয়া হবে না। পশুর নদীসহ দক্ষিণাঞ্চলের সবকটি প্রজনন ক্ষেত্রে নৌ পুলিশের কঠোর নজরদারি ও টহল অব্যাহত থাকবে।"

​সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দিক জানান, "ইলিশের বংশবৃদ্ধির জন্য এই প্রজনন মৌসুম অত্যন্ত সংবেদনশীল। কারেন্ট ও বেহুন্দী জালের মতো ক্ষতিকারক ফাঁদ মা ইলিশ ও জাটকার স্বাভাবিক বিচরণে বড় বাধা। দেশীয় ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে এবং প্রজনন নিশ্চিত করতে এই নিষিদ্ধ সময়ে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।"

​মৎস্য সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদী তীরবর্তী জেলে ও সাধারণ মানুষকে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার এবং অবৈধ উপায়ে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কালের সমাজ/কে.পি

গ্রাম-গঞ্জ বিভাগের আরো খবর

Link copied!