মাইজভান্ডারী ত্বরিকার মহান প্রবর্তক, গাউসুল আজম হজরত মাওলানা শাহসূফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভান্ডারীর ১০মাঘ ১২০ তম পবিত্র ওরশ শরীফর ও দ্বিশত জন্মবার্ষিকীর কর্মসূচি মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঐতিহাসিক ১০মাঘের পবিত্র ওরশ শরীফে দেশ-বিদেশের লাখ লাখ আশেক, ভক্ত, মুরিদানের আল্লাহু ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয় সমগ্র মাইজভান্ডার দরবার।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে ১০ দিন ব্যাপী মহান ওরশ শরীফ সমাপ্ত হয়। দেশ, জাতি ও বিশ্বউম্মাহর সুখ-সমৃদ্ধি ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন, সাজ্জাদানশীনে দরবারে গাউসুল আজম মাইজভান্ডারী হজরত শাহসূফী সৈয়দ মুজিবুল বশর আল হাচানী মাইজভান্ডারী। মোনাজাতপূর্বক বয়ানে তিনি বলেন, মাইজভান্ডারী ত্বরিকার মূল নির্যাস হচ্ছে শান্তি, সম্প্রীতি আর শৃঙ্খলার বার্তা। হুজুর গাউসুল আজম শাহসূফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভান্ডারী ত্বরিকায়ে মাইজভান্ডারীয়া প্রবর্তন করেন যা দেশের গন্ডি পেরিয়ে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে গেছে।
গাউছিয়া রহমান মঞ্জিলের নায়েব সাজ্জাদানশীন শাহজাদা সৈয়দ নূরুল বশর আল হাচানী মাইজভান্ডারীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে আশেকানে মাইজভান্ডারি এসোসিয়েশন, গাউছিয়া রহমান মঞ্জিলের উদ্যোগে মহান ওরশ শরীফ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :