স্বপ্ন যাচ্ছে বাড়ি। কমলাপুর থেকে ট্রেন ছাড়ছে সময়মতো, কোনো কোনো ট্রেনে ছাদেও উঠেছেন যাত্রী। সড়কপথেও বেড়েছে গাড়ির চাপ। সদরঘাটেও গতকালের চেয়ে আজ ঘরমুখো মানুষের ভিড় বেড়েছে। গাবতলী বাস টার্মিনালে ঈদযাত্রা তদারকি করেছেন সড়কমন্ত্রী। তার দাবি, এবারের ঈদযাত্রায় নেই কোনো যাত্রী ভোগান্তি।
ঈদ হতে পারে ২১ মার্চ। বাড়ির উঠোনো প্রিয়জন অপেক্ষায়, স্বপ্ন যাচ্ছে বাড়ি। বুধবার রাজধানীর কমলাপুরে যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে। বেশিরভাগ ট্রেন ছাড়ছে সময়মতো। নিষেধের পরও কোনো কোনো ট্রেনের ছাদে উঠছে যাত্রী। তবে সার্বিকভাবে ট্রেনে ঈদযাত্রা স্বস্তির।
বাসে যাত্রী চাপ বেড়েছে। এখনও কোনো কোনো কাউন্টার টিকিট দিতে পারছে। গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদে রয়েছে যাত্রীদের চাপ। ছুটি দীর্ঘ হওয়ায় এবার সড়ক পথে ঈদযাত্রা স্বস্তির।
গাবতলী বাস টার্মিনালে ঈদযাত্রা তদারকি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, যাত্রী ভোগান্তি নেই এবারের ঈদযাত্রায়। বাড়তি ভাড়া নিয়েও অভিযোগ নেই বলে জানান মন্ত্রী।

এদিকে সদরঘাটে দক্ষিণের যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। যাত্রী পূর্ণ হলেই ছাড়া হচ্ছে লঞ্চ। বাড়তি ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে যাত্রীদের অভিযোগ অস্বীকার করলেন লঞ্চ শ্রমিকরা। আবহাওয়া ভালো থাকায় লঞ্চযাত্রা আরও স্বস্তিকর বলে জানাচ্ছেন যাত্রীরা।
চাঁদরাত পর্যন্ত লঞ্চে যাত্রী চাপ থাকবে বলে আশা করছেন লঞ্চ ব্যবসায়ীরা। যাত্রী নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন।
কালের সমাজ/এসআর

