গতকাল রোববার সরকারি এক আদেশের মাধ্যমে এই নিয়োগ প্রদান করা হয়। এই তালিকায় কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান।
সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে কিশোরগঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদগুলোর প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, তৃণমূল পর্যায়ে সেবামূলক কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে এবং উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর সঠিক তদারকি নিশ্চিত করতেই এই নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এরআগে রোববার সারা দেশের ৪২টি জেলায় একযোগে নতুন প্রশাসকদের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জের দায়িত্ব পাওয়ায় খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খানকে নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
জেলা পরিষদের স্থবিরতা কাটিয়ে জনকল্যাণমূলক কাজে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কিশোরগঞ্জ ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতে নতুন মুখ নিয়ে আসা হয়েছে।
সরকারের এই পদক্ষেপকে স্থানীয় সরকার কাঠামো শক্তিশালীকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) সংসদীয় আসনে বিএনপির আলোচিত ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। তিনি বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনমানুষের সঙ্গে গভীর সংযোগ স্থাপন করেছেন।
তিনি বর্তমানে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বারবার কারাভোগ করেও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি বিএনপির পরীক্ষিত এই রাজনৈতিক নেতা।
তৃণমূল বিএনপির প্রাণভোমরা ও গরিব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ফলে বার বার আলোচনায় উঠে এসেছে তার নাম। শুধু তাই নয়, বিএনপির দুর্দিনে আপসহীন, রাজনীতিতে নীতিনিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি, বিএনপির উপর দমন-পীড়নের দুঃসময়ে যখন অনেকেই নিশ্চুপ কিংবা সরে দাঁড়িয়েছেন, ঠিক তখন খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল রাজপথে থেকেছেন দৃঢ়চেতা সৈনিক হিসেবে।
বিএনপির মহান আদর্শ জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি ছিলেন অগ্রভাগে। খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল ১৯৯০ সালে গুরুদয়াল সরকারি কলেজের ভিপি ছিলেন।
একজন সচেতন রাজনীতিবিদ হিসেবে ভিপি সোহেল মহামারি করোনা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সামাজিক বিপর্যয় সবখানেই মানুষের দুঃখ-কষ্টের সারথি হিসেবে পাশে দাড়িয়েছেন। একইসঙ্গে গরিব-দুস্থদের খাদ্য-ত্রাণ বিতরণ, শিক্ষার্থীদের সহায়তা, অসুস্থদের চিকিৎসা এসব কাজে তিনি মাঠে কাজ করে চলেছেন নিরলসভাবে।
কালের সমাজ/কে.পি

