রোববার দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল শেখ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার দক্ষিণ চরনারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা। ভুক্তভোগী কিশোরী বোয়ালমারী উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে ভুক্তভোগী ওই কিশোরী বোয়ালমারী উপজেলার একটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। কলেজে যাতায়াতের পথে সোহেল শেখ তাকে নিয়মিত বিরক্ত করতেন। বিষয়টি মেয়ের পরিবার অভিযুক্তের পরিবারের কাছে জানালে ক্ষুব্ধ হয়ে ২০১৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সোহেল শেখ তার সহযোগীদের নিয়ে মাইক্রোবাসে করে ওই কিশোরীকে অপহরণ করেন।
ঘটনার ১০ দিন পর ২৪ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল শেখের পাশাপাশি তার ভাই রাসেল শেখ (৩২) এবং সহযোগী আরিফ শেখ (৪০)-কে আসামি করা হয়।
মামলাটি তদন্ত করেন বোয়ালমারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সানোয়ার হোসেন। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ২ মার্চ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
আদালতের পিপি গোলাম রব্বানী জানান, আদালত অপহরণ ও ধর্ষণ—এই দুই অপরাধে পৃথক ধারায় সাজা দিয়েছেন। তবে একই সাজা হওয়ায় আসামিকে একই সময়ে দুই সাজা একত্রে ভোগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কালের সমাজ/কে.পি

