সম্প্রসারণ করতে এবং দুই দেশের জনগণের জন্য আরও বেশি কল্যাণ নিশ্চিত করতে চীন প্রস্তুত রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেইজিংয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
লি ছিয়াং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বে আবদ্ধ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী। বাংলাদেশের জাতীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উন্নয়নপথ অনুসরণ এবং নতুন সরকারের শাসন কার্যক্রমে চীন দৃঢ় সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
তিনি বলেন, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে দুই দেশ কৌশলগত আস্থা আরও গভীর করবে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে একযোগে কাজ করবে। এর মাধ্যমে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক নতুন ও বৃহত্তর উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং উভয় দেশের জনগণ উপকৃত হবে।
চীনের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, উচ্চমানের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই) সহযোগিতা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি মানসম্পন্ন পণ্য আমদানিতে আগ্রহী চীন। একই সঙ্গে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হবে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ডিজিটাল অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিসহ উদীয়মান খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বহুপাক্ষিক অঙ্গনে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে লি ছিয়াং বলেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোর ঐক্য ও আত্মনির্ভরতা জোরদার এবং ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর যৌথ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চীন ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।
কালের সমাজ/কে.পি

