বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মতো প্রাণঘাতী রোগ মানুষের জীবনঝুঁকি তৈরি করছে। তবে সবার সম্মিলিত সচেতনতা থাকলে এসব রোগ থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, এডিস প্রজাতির মশার কামড়ের মাধ্যমেই ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া ছড়ায়। তাই আগে থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
তিনি বলেন, সাধারণত বর্ষা মৌসুমে—জুন থেকে অক্টোবর—ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি দেখা গেলেও বর্তমানে এটি নির্দিষ্ট মৌসুমের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। যেকোনো সময় মানুষ আক্রান্ত হতে পারে। তিন দিনের বেশি কোথাও পরিষ্কার পানি জমে থাকলে সেখানে এডিস মশার জন্ম হতে পারে। তাই ফুলের টব, ড্রাম, বালতি, পরিত্যক্ত টায়ার, ডোবা বা বাড়ির ছাদে পানি জমে থাকতে না দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ড্রেন, নর্দমা ও পানির ট্যাংক পরিষ্কার রাখা এবং ঢেকে রাখা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার বাড়ি ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি জানান, আসন্ন বর্ষা মৌসুমের আগে থেকেই সরকার ১৪ মার্চ থেকে সারা দেশে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করবে। স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদেরও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নিজ নিজ এলাকায় প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের জাতীয় স্বাস্থ্যনীতির মূল দর্শন হচ্ছে—‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’। তাই সবাইকে সচেতন থেকে নিজের ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

