ঢাকা বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২

যুব বিশ্বকাপেও আইসিসির ‘অবিচার’

ক্রীড়া প্রতিবেদক | জানুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১২:৪৫ পিএম যুব বিশ্বকাপেও আইসিসির ‘অবিচার’

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় ঘণ্টা বেজেছে বাংলাদেশের।

মাঠের ক্রিকেটে পারফরম্যান্সের ঘাটতি থাকলেও, বিসিবি কর্মকর্তাদের মতে, আইসিসির তৈরি করা ‘অসম’ ও ‘অমানবিক’ ভ্রমণ সূচিই যুবাদের ক্লান্তির মূল কারণ। গেম ডেভেলপমেন্ট কো-অর্ডিনেটর হাবিবুল বাশার সুমনের ভাষ্যমতে, এই ভ্রমণ সূচি ছিল বাংলাদেশের প্রতি চূড়ান্ত ‘অবিচার’।

এবারের বিশ্বকাপে আইসিসি অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করায় প্রতিটি দলকে বাসে করে এক শহর থেকে অন্য শহরে যেতে হয়েছে।

আর এখানেই বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েতে অবস্থানকালে গত ৬ জানুয়ারি থেকে একের পর এক শহর বদলাতে হয়েছে জুনিয়র টাইগারদের। হারারে থেকে বুলাওয়ে যেতে টানা ৯ ঘণ্টা বাসে কাটাতে হয়েছে ক্রিকেটারদের। এমনকি ভারত ম্যাচের আগে ছেলেদের ক্লান্তি দূর করতে বিসিবি নিজ খরচে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছিল।

কিন্তু টুর্নামেন্টের বাকি সময়টা বাসেই কেটেছে মিরাজ-শিহাবদের। দল যখন বুলাওয়ে থেকে হারারে ফিরছিল, তখন হেড কোচ নাভিদ নেওয়াজকে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্লান্ত স্বরে শুধু এটুকুই বলেন, ‘নয় ঘণ্টা বাসে!’

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার অভিযোগ করে বলেন, ভারত যেখানে তাদের সব ম্যাচ ও অনুশীলন একই শহরে (বুলাওয়ে) করার সুযোগ পেয়েছে, সেখানে বাংলাদেশকে বারবার হারারে আর বুলাওয়ের মধ্যে যাতায়াত করতে হয়েছে। পাকিস্তান, ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার মতো বড় দলগুলোর ভ্রমণ সূচিও ছিল অনেক সহজ ও সংক্ষিপ্ত।  বাশারের মতে, সূচিটি আমাদের জন্য একেবারেই অন্যায্য ছিল। আমরা টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই আইসিসিকে বিষয়টি জানিয়েছিলাম, কিন্তু তারা আমাদের কথা শোনেনি।

অবশ্য শুধু ভ্রমণকেই দায়ী করছেন না বাশার। ইংল্যান্ড ও ভারতের বিপক্ষে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে রান রেট বা গাণিতিক হিসেবেও বাংলাদেশের ভুল ছিল বলে স্বীকার করেছেন তিনি। তবে টানা বাসে চলাচলের ফলে খেলোয়াড়দের যে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি তৈরি হয়েছে, তা পারফরম্যান্সে বড় প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করে টিম ম্যানেজমেন্ট।

Side banner
Link copied!