মাদারীপুরের শিবচরে এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
পরিবারের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে শিক্ষক ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
রোববার সন্ধ্যায় কুতুবপুর দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে বলে শিবচর থানার ওসি কামাল হোসেন জানিয়েছেন।
আটক মোস্তাক হোসেনের বাড়ি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায়। পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, প্রায় এক মাস আগে তিনি ওই মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।
ওই মাদ্রাসার ছাত্র ভুক্তভোগী সাত বছর বয়সী শিশুটির বাড়ি মাদ্রাসা সংলগ্ন খলিফাকান্দি গ্রামে।
ছেলেটির পরিবারের সদস্যরা বলছে, ঘটনার পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের সন্দেহ হয়। পরে শিশুটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করে।
পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন শিক্ষককে আটক করে মারধর করে। খবর পেয়ে শিবচর থানার পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
পরিবারের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সেই শিক্ষক ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।
এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
ওসি কামাল হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ওই মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
কালের সমাজ/এএইচবি

