ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইংরেজি বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. নূরশেদের মা সেতারা বেগম তৃতীয় পর্যায়ের স্টোমাক ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন। মায়ের চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে আর্থিক সংকটে পড়েছে পরিবারটি। এ অবস্থায় মায়ের চিকিৎসা চালিয়ে যেতে সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের কাছে আর্থিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন নূরশেদ।
নূরশেদের স্থায়ী ঠিকানা কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ডুমখালী গ্রামে। ডাকঘর মালুমঘাট। পরিবারে ছয় ভাই-বোন। পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস বড় ভাই, যিনি প্রবাসে থাকেন। তার বাবা আব্দুল মালেক বয়সের ভারে বর্তমানে কোনো কাজ করতে পারছেন না।
জানা যায়, গত মাসের ১৯ তারিখ চিকিৎসকের পরামর্শে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার মায়ের তৃতীয় পর্যায়ের স্টোমাক ক্যান্সার শনাক্ত হয়। চিকিৎসার প্রথম ধাপে তাকে মোট ছয়টি কেমোথেরাপি দেওয়ার কথা রয়েছে। প্রতিটি কেমোথেরাপিতে ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ প্রায় ৪৫ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। এরই মধ্যে একটি কেমোথেরাপি সম্পন্ন হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কেমোথেরাপির পর আশানুরূপ উন্নতি না হলে পরবর্তী ধাপে লেজার থেরাপির প্রয়োজন হতে পারে। এরপর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে অস্ত্রোপচার (সার্জারি) করতে হবে। এতে সম্ভাব্য খরচ হতে পারে প্রায় ৬ থেকে ৮ লাখ টাকা বা তারও বেশি। সব মিলিয়ে চিকিৎসা সম্পন্ন করতে ন্যূনতম প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন নূরশেদ।
নূরশেদ বলেন, “আমার আম্মুর উন্নত চিকিৎসার জন্য অনেকেই তাকে ভারতে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু পরিবারের বর্তমান আর্থিক সামর্থ্য সীমিত হওয়ায় আপাতত নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশেই তার চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছি। এই কঠিন সময়ে আম্মুর চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়া আমাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। সবার কাছে আমার অনুরোধ, যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়াবেন। আপনাদের সামান্য সহযোগিতাও আমার আম্মুর চিকিৎসার জন্য অনেক বড় সহায়তা হতে পারে।”
কালের সমাজ/কে.পি

