নির্মাতা চয়নিকা জানান, দর্শক এ নাটকে নব্বই দশকের আবহ খুঁজে পাবে।
তিনি বলেন, ‘২৪ বছর ধরে আমি সম্পর্ক, ভালোবাসা আর জীবনের নানা টানাপড়েনের গল্প নিয়ে নাটক নির্মাণ করছি। এ নাটকেও পরিবারের সুন্দর একটি গল্প আছে। গল্পের প্রয়োজনে আবুল হায়াত ও ডলি জহুরকে নিয়েই কাজে করেছি।’
প্রযোজক জামাল হোসেন বলেন, ‘আমি পারিবারিক গল্পের নাটককে একটু বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকি। এ নাটকে কোনও ছাড় দিইনি। চরিত্রের প্রযোজনে যে শিল্পী প্রয়োজন তাকে নিয়েই কাজ করা হয়েছে।’
নির্মাতার প্রশংসা করে অভিনেতা আবুল হায়াত বলেন, ‘চয়নিকা সব সময়ই ভীষণ সচেতন ও বিচক্ষণ। তার নাটকে গল্পই হচ্ছে প্রাণ। আর যারা কাজ করেন তারা সবাই ভীষণ আন্তরিকতা নিয়ে নিজের মতো করে অভিনয়টা করার সুযোগ পান তার নাটকে। এই নাটকটিও তেমনই। অনেক দিন পর ডলির সঙ্গে কাজ করে ভালো লাগলো।


আপনার মতামত লিখুন :