ঢাকা বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২
চিফ প্রসিকিউটর

আসামিপক্ষ কোর্টকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক | ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ০৩:১১ পিএম আসামিপক্ষ কোর্টকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, আসামিপক্ষ একের পর এক আবেদন করে ট্রাইব্যুনালকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।

আসামিপক্ষের এমন আবেদনে আপত্তি জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, বিচারকাজ বিলম্ব করতেই আসামিদের আইনজীবীরা এমন করছেন। এজন্য একের পর এক আবেদন করে ট্রাইব্যুনালকে বিভ্রান্ত করছেন তারা। এছাড়া এই বিচার কাজে বাধাগ্রস্ত করতে নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। আসামিপক্ষের চেষ্টা হচ্ছে মামলার চার্জ ফ্রেম যেনো না হয়। মামলায় যদি ‘প্রাইমা ফেসি’ গ্রাউন্ড থাকে তাহলে চার্জ ফ্রেমিং হতে হবে। তারা কোর্টকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।

আওয়ামী লীগের শাসনামলে র‌্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন সেলে (টিএফআই) গুম-নির্যাতনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ পিছিয়ে আগামী মঙ্গলবার দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রোববার ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এই মামলায় গ্রেপ্তার ৩ সেনা কর্মকর্তা তোফায়েল, কামরুল ও মশিউর জুয়েলের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। একপর্যায়ে আদেশের জন্য আরেকটি তারিখ নির্ধারণের আর্জি জানান। পরে দুদিন পিছিয়ে ২৩শে ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

এদিন সকালে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। তারা হলেন- র‌্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট আসামি ১৭ জন। পলাতক অন্যরা হলেন- শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র‌্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ ও র‌্যাবের সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।

কালের সমাজ/এসআর

Side banner
Link copied!