স্পেনের বিপক্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার হারের পর ম্যাচটি পুনরায় আয়োজনের দাবিতে অনলাইনে স্বাক্ষর সংগ্রহ শুরু হয়েছে। রেফারির কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে করা ওই আবেদনে এরই মধ্যে প্রায় ৬২ হাজার মানুষ সই করেছেন। তবে এই উদ্যোগের কোনো আইনগত বা প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি নেই, ফলে ফিফাকে ম্যাচ পুনরায় আয়োজন করতে বাধ্য করার সুযোগও নেই।
অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চেঞ্জ ডট অর্গে গিজেলা সানচেজ নামে এক সমর্থক এই আবেদন শুরু করেন। গত রোববার নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচের কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আবেদনটি করেন।
আবেদনে দাবি করা হয়েছে, রেফারির কিছু সিদ্ধান্ত ম্যাচের ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। তবে অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট বা যাচাইকৃত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। এর বদলে ফিফার কাছে ম্যাচটি নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন ১-০ গোলে হারায় আর্জেন্টিনাকে। আবেদনকারীরা ম্যাচে নেওয়া রেফারিং সিদ্ধান্তগুলো পুনর্মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছেন।
তবে এই পিটিশনের কোনো আইনগত বা প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতা নেই। ক্রীড়া বিধিমালা অনুযায়ী, বিশেষ কোনো ধারা বা ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ছাড়া কোনো অফিশিয়াল ম্যাচ পুনরায় আয়োজন করা যায় না।
বিশ্বকাপ চলাকালেও একই ধরনের একটি উদ্যোগ দেখা গিয়েছিল। স্পেনের বিপক্ষে সেমিফাইনালে একটি পেনাল্টি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ফ্রান্সে ম্যাচ পুনরায় খেলার দাবিতে অনলাইনে আবেদন চালু হয়েছিল। সেই আবেদনে ৮২ হাজারের বেশি মানুষ সই করলেও টুর্নামেন্টের ফলাফলে তার কোনো প্রভাব পড়েনি।
এদিকে ফাইনালে রেফারিং নিয়ে বিতর্কের জবাবে আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি স্পষ্ট অবস্থান নেন। তিনি বলেন, ‘রেফারিং কি অন্যায্য ছিল? না, একদমই না। আমরা হেরেছি কারণ ওরা আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। সেটা স্বীকার করতেই হবে।’
কালের সমাজ/এসআর

