কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অজ্ঞাতনামা আরসা সন্ত্রাসীদের গুলিতে এআরও গ্রুপের নেতা আব্দুল হালিম নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যায় উখিয়া নৌকারমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৭ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৫ মে রাত ৯ টায় উখিয়া ১৪ এপিবিএন-এর অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) সিরাজ আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৮/ইস্ট এলাকা থেকে কয়েকজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে নিজ নিজ শেডে ফিরছিলেন।
পথে তারা ক্যাম্প-৮/ইস্টের এ/৩২ পয়েন্ট ও ক্যাম্প-৭ এর মধ্যবর্তী তরজার ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা আরসা সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। হামলার পরপরই দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে এআরও গ্রুপের নেতা কেফায়েত উল্লাহ ওরফে আব্দুল হালিম গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তিনি ক্যাম্প-৭ এর ব্লক এফ/২ এর বাসিন্দা। তার পিতার নাম বাদশা মিয়া এবং মাতার নাম নুর বাহার। এ ঘটনায় আরও দুইজন মোহাম্মদ উল্লাহ (৩৭) ও নুর মোহাম্মদ গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন।
তাদেরও প্রথমে ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এমএসএফ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়ে নৌকারমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের একটি মোবাইল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাতনামা আরসা সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে ক্যাম্প এলাকায় পুলিশি অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
কালের সমাজ/কে.পি

