ঢাকা মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩

বান্দরবানে ১৩ প্রাথমিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার অনুমোদন

জেলা প্রতিনিধি, বান্দরবান | মে ১২, ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম বান্দরবানে ১৩ প্রাথমিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার অনুমোদন

পার্বত্য জেলার বান্দরবানের ১৩ প্রাথমিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার অনুমোদন। বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি, অনিয়মিততা ও নানা অনিয়মের অভিযোগে বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার দুর্গম এলাকার ১৩ জন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার অনুমোদন দিয়েছে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর গত মঙ্গলবার এই নির্দেশ দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থানজামা লুসাই। পরে বৃহস্পতিবার বিষয়টি জানাজানি হয়।

মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষকরা হলেন আলীকদম উপজেলার রেংপু হেডম্যান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক, সহকারী শিক্ষক হারুন আর রশিদ, নার্গিস তামান্না, হাবেকুন্নার ও মোতাহার বেগম। রাইতুমনি পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আব্বাস উদ্দিন, রিয়াজুল জান্নাত ও মো. জাবেদ।

এছাড়া মেনকেউ মেনক পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রাজীব স্রো এবং সহকারী শিক্ষক তাসলিমা আক্তার, কোহিনুর আক্তার, বদিউর রহমান রুস্তম ও রোমেন দাশের নামও মামলায় রয়েছে।

আলীকদম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘২০২৪ সালে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি, অনিয়মিত উপস্থিতি এবং বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনা করা হয়। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে বিভাগীয় মামলার আবেদন করে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) পরিনয় চাকমা প্রতিবেদককে জানান, ‘আলীকদমের দুর্গম এলাকার বিদ্যালয় গুলোতে অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ কারণে আলীকদম উপজেলার ১৩ জন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার জন্য চলতি সপ্তাহে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ অনুমোদন দিয়েছে। আগামী সপ্তাহে আনুষ্ঠানিকভাবে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হবে।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই বলেন, ‘জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তদন্তে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তের পর জেলা পরিষদে বিভাগীয় মামলার আবেদন করা হলে সেটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

 

কালের সমাজ/কে.পি

Link copied!