ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুর থানার দাঁতমারা ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজারের পশ্চিমে দীর্ঘদিনের পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ। ৩টি সরকারি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী এবং ওপারে পশ্চিমে ৫টি গ্রাম, ২টি বনবিট ও ১টি রাবার বাগানসহ প্রায় ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াতের সংযোগস্থল এই ব্রিজটি।
যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন বৃদ্ধ, তরুণ, শিশু মিলিয়ে অন্তত ১৫-২০ হাজার পথচারী যাতায়াত করে। সেতুটির দুইপাশে কোনো রেলিং নাথাকায় এবং প্রশস্ততা কম হওয়ায় প্রায়। ঘটছে দুর্ঘটনা।
এছাড়া সেতুটি দিয়ে বড় কোন যান চলাচল করতে পারে না। এদিকে ব্রিজটির নিচের অংশে পিলারগুলো অনেকটা সরে গেছে।
এ বিষয়ে দাঁতমারা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য আব্দুল হাকিম বলেন, "ব্রিজটি পুনর্নিমাণের জন্য উপজেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।"
তিনি আরও বলেন, "দাঁতমারা ইউনিয়নের মানুষের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্রিজ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে। সামনের বর্ষায় পানির স্রোত বৃদ্ধি পেলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার ঘটার আশঙ্কা আশঙ্কা উড়িয়ে। উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে খালের পানির স্রোত বৃদ্ধি পেলে পারাপার আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। অনেক সময় শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্কদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে।
এলাকাবাসী জানান, গজারিয়া খালটি স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও এখানে এখনো একটি স্থায়ী ও নিরাপদ ব্রিজ নির্মাণ করা হয়নি। ফলে প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, এলাকার ইতিহাস, জনদুর্ভোগ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে গজারিয়া খালের ওপর একটি নতুন আধুনিক ব্রিজ নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
কালের সমাজ/এসআর

