পবিত্র ঈদুল আজহা তথা কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পুরোপুরি জমে উঠেছে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ভাটিয়াপাড়া গরুর হাট। ঈদের বাকি আরও কিছুদিন, তবে এরই মধ্যে ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো হাট প্রাঙ্গণ।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ইজারাদারদের সূত্রে জানা গেছে, এই হাটে শুধু গোপালগঞ্জ জেলাই নয়, বরং পার্শ্ববর্তী নড়াইল ও ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থেকেও বিপুল সংখ্যক খামারি ও বিক্রেতারা তাদের পালিত পশু নিয়ে হাজির হয়েছেন।
ক্রেতাদের নজর মাঝারি ও বড় গরুর দিকে
হাটে আসা বেশ কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবার কোরবানির জন্য মাঝারি ও বড় সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে হাটের প্রথমদিকের উপচে পড়া ভিড় থাকলেও অনেক ক্রেতাই এখনই তাড়াহুড়ো করে কিনছেন না।
হাটে আসা একজন ক্রেতা জানান, "ঈদের তো আরও কিছুদিন বাকি আছে। তাই আজ হাটের সার্বিক পরিস্থিতি এবং গরুর দাম ও মান দেখে যাচ্ছি। আগামী হাটে দেখেশুনে চূড়ান্তভাবে কোরবানির পশু কিনব।"
রেকর্ড কেনাবেচার আশা
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, হাটে পর্যাপ্ত পশুর সরবরাহ রয়েছে এবং দামও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই। বাজার পরিস্থিতি এমন থাকলে এবারও ভাটিয়াপাড়া হাটে বিপুল অঙ্কের ব্যবসা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই মৌসুম জুড়ে ভাটিয়াপাড়া হাটে আনুমানিক ৬ থেকে ৭ কোটি টাকার গরু বেচাকেনা হবে।
নিরাপত্তার বিষয়ে হাট কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার্থে এবং জালিয়াতি ও অজ্ঞান পার্টির খপ্পর থেকে সবাইকে রক্ষা করতে হাটে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা ব্যাপারীরা যাতে নির্বিঘ্নে পশু কেনাবেচা করতে পারেন, সেদিকেও বিশেষ
কালের সমাজ/কে.পি

