অদ্য ২৪ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. তারিখ জেলা প্রশাসন, নওগাঁ ও বাংলাদেশ নিরাপদ কর্তৃপক্ষ, জেলা কার্যালয়, নওগাঁ এর যৌথ উদ্যোগে সদর উপজেলার মেসার্স দত্ত স্টোর, মিষ্টি পট্টি, পুরাতন মাছ বাজার, জিলানী অয়েল মিল ও সুমন অয়েল মিল, বিসিক, নওগাঁ’য় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
উক্ত যৌথ অভিযানটি জনাব অভিষেক কান্তি বর্মন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসন, নওগাঁ ও জনাব মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন, নিরাপদ খাদ্য অফিসার, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জেলা কার্যালয়, নওগাঁ নেতৃত্বে পরিচালিত হয় এবং আনসার ব্যাটেলিয়ন এর একটি চৌকস টিম ও অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন।
অভিযান পরিচালনাকালে দেখা যায়,
১.নিষিদ্ধ ঘনচিনি (সোডিয়াম সাইক্লোমেট) সংরক্ষণ ও বিক্রি করতে দেখা যায়।
২.নিষিদ্ধ হাইড্রোজ সংরক্ষণ ও বিক্রি করতে দেখা যায়।
৩. অননুমোদিত এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ রঙ বিক্রি করতে দেখা যায়।
৪. অননুমোদিত এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ ফ্লেভার বিক্রি করতে দেখা যায়।
৫. লেবেল বিহীন অননুমোদিত রঙ বিক্রি করতে দেখা যায়।
৬. অ্যামোনিয়াম সালফেট এর বস্তা সংরক্ষণ ও বিক্রি করতে দেখা যায়।
৭. অয়েল মিলে সরিষার সাথে ক্যানোলা মিশিয়ে সরিষার তৈল নামে উৎপাদন ও বিক্রয় করতে দেখা যায়।
৮. সরিষার তৈলের বোতলের গায়ে মেয়াদ, ব্যাচ নং, উৎপাদনের তারিখ ও নির্ধারিত মূল্য উল্লেখ ছিলো না।
নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর পরিপন্থী বিভিন্ন অনিয়ম পরিলক্ষিত হয়।
উল্লিখিত অনিয়মসমূহের প্রেক্ষিতে মেসার্স দত্ত স্টোরকে ১,০০০০০/- ( এক লক্ষ টাকা), জিলানী অয়েল মিলকে ১০,০০০/- (দশ হাজার টাকা) এবং সুমন অয়েল মিলকে ২০,০০০/- ( বিশ হাজার টাকা) মাত্র অর্থদণ্ড জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয় এবং অননুমোদিত ও মেয়াদ উত্তীর্ণ রঙ, ফ্লেভার, সোডিয়াম সাইক্লামেট, হাইড্রোজ, অ্যামোনিয়াম সালফেট জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়।
এ সকল অব্যবস্থাপনা ৩০ দিনের ভিতর ঠিক করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়, অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ অনুসারে নিয়মিত মামলা করা হবে বলে সতর্ক করা হয়।
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কালের সমাজ/কে.পি

