কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার গণমাধ্যম কর্মীদের সংগঠন “বুড়িচং প্রেসক্লাব”-এর নাম, লোগো ও সাংগঠনিক পরিচয় অননুমোদিতভাবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংগঠনের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বিরুদ্ধে এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।
বুড়িচং প্রেসক্লাবের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ আহসানুজ্জামান (সোহেল) পক্ষে এই আইনি নোটিশটি প্রদান করা হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, “বুড়িচং প্রেসক্লাব” (রেজিস্ট্রেশন নং—৪০৮) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ও সনদপ্রাপ্ত একটি বৈধ সাংবাদিকদের সংগঠন। যার নাম ও লোগো আইনগতভাবে (কপিরাইট) সংরক্ষিত। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে সাখাওয়াত হাফিজ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সম্প্রতি লক্ষ্য করা গেছে যে, একটি মহল কোনো ধরনের বৈধ অনুমোদন বা এখতিয়ার ছাড়াই অবৈধ ভাবে “বুড়িচং প্রেসক্লাব”-এর নাম, লোগো এবং বিভিন্ন পদবী অবৈধভাবে ব্যবহার করে আসছেন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া, ইউটিউব ও অনলাইন পোর্টালসহ বিভিন্ন মাধ্যমে নির্বাচনের নামে কমিটি গঠনের কথা বলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এছাড়া ফেসবুক পেজ, ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন, ভিজিটিং কার্ড ও প্রচারমাধ্যমে নিজেদের এই সংগঠনের প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। যার ফলে সংগঠনের দীর্ঘদিনের সুনাম নষ্ট হচ্ছে।
নোটিশে উল্লেখিত প্রধান নির্দেশনাগুলো সকল প্রচারমাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়া পেজ, ব্যানার ও ভিজিটিং কার্ড থেকে বুড়িচং প্রেসক্লাব এর নাম ও লোগো অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে।
ভবিষ্যতে সংগঠনের নাম ব্যবহার করে নিজেকে কর্মকর্তা বা সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়া থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে। অথবা, নোটিশ পাওয়ার ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে লিখিতভাবে বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শন সহ ব্যাখ্যা জানাতে হবে। অন্যথায় এই অননুমোদিত ব্যবহার স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে এবং ভবিষ্যৎ কালে কোথাও এই নাম ও লগো ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই নির্দেশনাগুলো পালন করা না হলে, সংগঠনের ভাবমূর্তি ও আইনগত অধিকার রক্ষার্থে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতে মামলা দায়ের এবং ক্ষতিপূরণ আদায়সহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে স্পষ্টভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
জিএম নজরুল ইসলাম
কালের সমাজ/কে.পি

