কুমিল্লার লাকসামে নিখোঁজের ১০ দিন পর কাউসার হোসেন (২৩) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত রোববার সকালে উপজেলার বাকই ইউনিয়নের তারাপুর গ্রামের একটি ধানখেত থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় মরদেহের পাশ থেকে বস্তাবন্দী বেশ কিছু সিগারেটও উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত কাউসার হোসেন তারাপুর গ্রামের পূর্ব বাড়ির মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ অক্টোবর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন কাউসার। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন এবং মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা চালান। তবে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
রোববার সকালে তারাপুর গ্রামের একটি ধানখেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে লাকসাম থানার (ওসি) কাজী কামরুন্নাহার লায়লী ও উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
এদিকে, মরদেহের পাশ থেকে বস্তাবন্দী সিগারেট উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সম্প্রতি নিহত কাউসারের বাড়ির পাশের একটি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। উদ্ধার হওয়া সিগারেটের বস্তার সঙ্গে ওই চুরির ঘটনার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। লাকসাম থানার এসআই হাবিবুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনার নেপথ্যে কী ঘটেছে, তা উদ্ঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
নিখোঁজের পর ওই যুবকের মৃত্যু কীভাবে হলো এবং মরদেহের পাশে সিগারেটের বস্তা কীভাবে এল—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।
কালের সমাজ/কে.পি

