সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
প্রকাশিত তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—এস আলম সুপার এডিবল অয়েল, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল, সালাম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস, সোনালী ট্রেডার্স, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি, গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন, চেমন ইস্পাত, এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি, ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ, কেয়া কসমেটিকস, দেশবন্ধু সুগার মিলস, পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারা কেরানীগঞ্জ ও জামালপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট, প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম, কর্ণফুলী ফুডস, মুরাদ এন্টারপ্রাইজ, সিএলসি পাওয়ার কোম্পানি, বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স এবং রংধনু বিল্ডার্স।
তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, একই গ্রুপভুক্ত একাধিক প্রতিষ্ঠানের নাম এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বিশেষ করে এস আলম গ্রুপের একাধিক প্রতিষ্ঠান তালিকায় রয়েছে। এছাড়া পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারা এবং বেক্সিমকো সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নামও একাধিকবার এসেছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, খেলাপি ঋণ কমাতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—উচ্চ খেলাপি ঋণধারী ব্যাংকগুলোর সঙ্গে নিয়মিত পর্যালোচনা বৈঠক, ব্যাংকভিত্তিক শীর্ষ খেলাপিদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, ঋণ নিষ্পত্তির কৌশল প্রণয়ন এবং ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ।
এছাড়া বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ঋণ আদায় বাড়ানো, ব্যাংকের আইন বিভাগ শক্তিশালী করা, ঋণঝুঁকি ব্যবস্থাপনা হালনাগাদ এবং আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ঋণ শ্রেণিকরণ পদ্ধতি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন, খেলাপিদের তালিকা প্রকাশ, ভালো ঋণগ্রহীতাদের প্রণোদনা প্রদান, ঋণের সীমা নির্ধারণ এবং সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গঠনের উদ্যোগও চলমান রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ধাপে ধাপে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনা এবং ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।
কালের সমাজ/ কে.পি

