শুক্রবার (৬ মার্চ) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক সংকট ও ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন খবরের কারণে অনেক ভোক্তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল কিনে মজুদ করার প্রবণতা দেখাচ্ছেন, যা বাজারে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।
সরকারের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী—
মোটরসাইকেল: সর্বোচ্চ ২ লিটার
প্রাইভেটকার: সর্বোচ্চ ১০ লিটার
জিপ/মাইক্রোবাস: ২০–২৫ লিটার
পিকআপ ও লোকাল বাস (ডিজেল): ৭০–৮০ লিটার
দূরপাল্লার বাস ও ট্রাক (ডিজেল): সর্বোচ্চ ২০০–২২০ লিটার
এছাড়া ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার সময় ভোক্তাদের তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পরবর্তীবার তেল নেওয়ার সময় আগের ক্রয় রশিদের মূল কপি জমা দিতে হবে।
বিপিসি জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিতভাবে বিদেশ থেকে তেল আমদানি করা হচ্ছে এবং ডিপোগুলোতে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই পর্যাপ্ত বাফার স্টক গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংকটের অজুহাতে নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে জ্বালানি তেল বিক্রি করা আইনগত অপরাধ বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিষয়: মোটরসাইকেল জ্বালানি তেল তেলের দাম

