ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আইআরএস কর্মকর্তার ২২ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়। এর প্রায় আড়াই লাখ রুপি লুটের অভিযোগ উঠেছে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করা এক যুবকের বিরুদ্ধে।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত রাহুল মিনা (১৯) প্রায় আট মাস আগে ওই পরিবারে গৃহকর্মী হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। নানা অভিযোগে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। তবে ঘটনার দিন তিনি গোপনে সেই বাড়িতে ঢুকেন।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে দক্ষিণ দিল্লির কাইলাশ হিলস এলাকায় ওই কর্মকর্তার বাসায় ঢুকে একা থাকা তরুণীকে ধর্ষণের পর মোবাইল ফোনের চার্জারের তার দিয়ে নির্মমভাবে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। পরে তিনি পোশাক পরিবর্তন করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত বাড়ির ভেতরের পরিবেশ ও পরিবারের সদস্যদের দৈনন্দিন রুটিন সম্পর্কে আগে থেকেই অবগত ছিলেন। তিনি জানতেন, সকালে পরিবারের সদস্যরা বাইরে থাকবেন এবং ওই সময় তরুণী একাই বাড়িতে থাকবেন। এ সুযোগে তিনি প্রায় ২ থেকে আড়াই লাখ রুপি চুরি করেন।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তিনি বাড়িতে প্রবেশ করেন এবং প্রায় এক ঘণ্টা পর সেখান থেকে বেরিয়ে যান। তদন্তে আরও জানা গেছে, রক্তমাখা কাপড় বদলে তিনি বাড়ির অন্য সদস্যের পোশাক পরে পালান।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, অভিযুক্ত অনলাইন গেমে আসক্ত ছিলেন এবং নিয়মিত ধার করা টাকা পরিশোধ করতেন না। এর আগেও রাজস্থানের আলওয়ারে আরেক নারীর ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পরে নয়াদিল্লির দ্বারকা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও ডাকাতির মামলা দায়ের করা হয়েছে।
কালের সমাজ/এসআর

