চীনের সঙ্গে জ্বালানি বাণিজ্যে বড় অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কেনার বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে বেইজিং।
ট্রাম্পের ভাষায়, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে টেক্সাস, লুইজিয়ানা ও আলাস্কা থেকে চীনের উদ্দেশে তেলবাহী জাহাজ পাঠানো হবে।
বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, চীন নীতিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কেনা বাড়াতে সম্মত হয়েছে বলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন। দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে চলমান আলোচনার অংশ হিসেবেই এই সমঝোতা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয় যে বিষয়ে আমরা চুক্তিতে পৌঁছাব, তার একটি হলো— তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কিনতে চায় বলে সম্মত হয়েছে’। তিনি বলেন, ‘তারা টেক্সাসে যাবে। আমরা টেক্সাস, লুইজিয়ানা ও আলাস্কা থেকে চীনা জাহাজ পাঠানো শুরু করব... এটা বড় একটি বিষয়।’
অন্যদিকে সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং চীনের ইরানের ওপর প্রভাব খাটানোর সক্ষমতা আছে কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কিনতে সম্মত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা টেক্সাস, লুইজিয়ানা ও আলাস্কা থেকে চীনা জাহাজ পাঠানো শুরু করব’। ট্রাম্প আরও বলেন, ‘তাদের সবচেয়ে বেশি যেটা প্রয়োজন, সেটা হলো জ্বালানি। আর আমাদের কাছে সীমাহীন জ্বালানি রয়েছে।’
শি জিনপিংকে ‘খুবই বুদ্ধিমান ব্যক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করে ট্রাম্প বলেন, তাদের মধ্যে ‘ভালো সম্পর্ক’ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘তিনি সম্মান করতে জানেন। তিনি কোনও খেলায় নেই। তিনি পুরোপুরি চীনের স্বার্থ নিয়েই ভাবেন।’
চীনের অর্থনীতি নিয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি সেটিকে আরও ‘খুলে দিতে’ চান, কারণ এটি ‘বিশাল’। তার ভাষায়, ‘এতে আমেরিকার জন্য অনেক অর্থ ও কর্মসংস্থান তৈরি হবে।’
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর ক্ষেত্রে তিনি ‘অন্য সবার চেয়ে ভালো কাজ’ করেছেন। তিনি বলেন, ‘চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।’
কালের সমাজ/এসআর

