অনেকেই মেকআপ বলতে শুধু প্রাইমার, ফাউন্ডেশন, কন্সিলার, আইলাইনার, আইশ্যাডো, মাসকারা আর লিপস্টিকই বোঝেন। কিন্তু মেকআপের আগে ত্বক কিভাবে প্রস্তুত করতে হয়, সেটা নিয়ে অনেকেই ভাবেন না। মেকআপের আগে ত্বককে সঠিকভাবে প্রস্তুত করা খুব জরুরি। কারণ মেকআপ কেমন দেখাবে তা নির্ভর করে মেকআপের পূর্বপ্রস্তুতির ওপর।
ত্বক ঠিকভাবে প্রস্তুত থাকলে মেকআপ সমানভাবে বসে এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়। শুরুতেই ত্বক যত ভালোভাবে প্রস্তুত থাকবে, মেকআপও ততই ভালো দেখাবে।
মেকআপের আগে ত্বক প্রস্তুত করার উপায়
যেদিন আপনি মেকআপ করবেন, সেদিন স্কিন কেয়ার আর মেকআপের প্রস্তুতি- দুটো নিয়েই একসঙ্গেই ভাবতে হবে। এর জন্য কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে পারেন।
ক্লেনজার
প্রথমে এমন একটি ক্লেনজার ব্যবহার করুন, যা ত্বকের ময়লা আর তেল দূর করে। ফেইস ওয়াশ ত্বক পরিষ্কার করে, ত্বক উজ্জ্বল দেখায় এবং টোন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। প্রতিটি আলাদা ধরনের ত্বকের জন্য প্রয়োজন আলাদা ধরনের ক্লেনজার।
এক্সফোলিয়েটর
এরপর ব্যবহার করতে পারেন হালকা এক্সফোলিয়েটর।
এটি ত্বকের মৃত কোষ উঠিয়ে দেয়। মৃত কোষগুলো অনেক সময় রোমছিদ্র বন্ধ করে রাখে। এগুলো ব্ল্যাকহেড কমাতে সাহায্য করে, ত্বককে মসৃণ ও উজ্জ্বল রাখে।
টোনার
এরপরের ধাপ হল টোনার। অনেকেই এই ধাপটি বাদ দেন।
কিন্তু এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টোনার ত্বকের স্বাভাবিক pH ঠিক রাখে। এটি ত্বকের আর্দ্রতাও ধরে রাখে। ফলে ত্বক সতেজ দেখায়।
ময়েশ্চারাইজার
ময়েশ্চারাইজ করাও খুবই জরুরি। লোশন ও ক্রিম ত্বককে পুষ্টি দেয়, ত্বককে নরম রাখে। এতে ত্বক উজ্জ্বল দেখায়। মেকআপের আগে ত্বক যদি সঠিকভাবে ময়েশ্চারাইজ না করা হয়,হাতলে পরবর্তীতে মেকআপ ফেটে যেতে পারে, চেহারায় ড্রাই প্যাচ ভেসে উঠতে পারে।
সানস্ক্রিন
মেকআপের আগের শেষ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল সানস্ক্রিন প্রয়োগ করা। এটি সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আমাদের ত্বককে রক্ষা করে। ত্বককে পুড়ে কালচে বর্ণ ধারণ করা থেকে রক্ষা করে। তাই দিনের আলোয় যদি মেকআপ করতে হয়, তাহলে সানস্ক্রিন অবশ্যই দিতে হবে এবং প্রত্যেক দুই ঘণ্টা পরপর সানস্ক্রিন আবার প্রয়োগ করতে হবে। তবে রাতে এই ধাপটি বাদ দেওয়া যেতে পারে।
কােলর সমাজ/ কে.পি

